প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া পৌর শহরের বিভিন্ন স্থানে প্রায় এক কোটি টাকা ব্যয়ে ২৬১টি ডাস্টবিন স্থাপন করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে এসব ডাস্টবিনের অনেকগুলো অকেজো হয়ে পড়েছে। নিয়মিত ময়লা অপসারণ না হওয়ার কারণে ডাস্টবিনের চারপাশে আবর্জনা জমা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এতে শহরের বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র ময়লা ফেলা হচ্ছে।
পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় প্রকল্পের আওতায় ২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৪৯ হাজার টাকা ব্যয়ে পৌর শহরের ৯টি ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ১৫৫টি সোলার স্ট্রিট লাইট ও ২৬১টি স্টেইনলেস স্টিল ওয়েন্টবিন (ডাস্টবিন) বসানো হয়েছে। পৌরসভা এই কাজগুলো বাস্তবায়ন করেছে। স্ট্রিট লাইটের জন্য খরচ দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭৫ লক্ষ ১৮ হাজার ৪১০ টাকা এবং ডাস্টবিনের জন্য খরচ হয়েছে ৯৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৯৯৯ টাকা।
পৌর শহরের কয়েকটি এলাকা পরিদর্শন করে দেখা যায়, ডাস্টবিনে ময়লা জমে রয়েছে। অনেক স্থানে ডাস্টবিনের বাইরেও আবর্জনা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। দীর্ঘদিন ময়লা অপসারণ না করায় কোথাও কোথাও ডাস্টবিনের চারপাশ ময়লার স্তূপে পরিণত হয়েছে। শহরের প্রাণকেন্দ্রের একটি প্রবহমান খালে ময়লা-আবর্জনা ফেলা হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ডাস্টবিন স্থাপন করা হলেও নিয়মিত বর্জ্য অপসারণের ব্যবস্থা করা হয়নি। ফলে ডাস্টবিনগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। যত্রতত্র ময়লা ফেলায় পরিবেশও দূষিত হচ্ছে।
পৌরবাসীর দাবি, ডাস্টবিন স্থাপনের পাশাপাশি নিয়মিত বর্জ্য সংগ্রহ ও অপসারণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তা না হলে সরকারি অর্থ ব্যয়ে স্থাপিত এসব ডাস্টবিন নাগরিক সুবিধার পরিবর্তে দুর্ভোগের কারণ হয়ে থাকবে। জনবসতি এলাকায় ছোট ডাস্টবিন দিয়ে হয় না, তাই পৌরসভার উদ্যোগে নতুন করে ডাস্টবিন বসানো উচিত।
ময়লা পরিষ্কার ও ডাস্টবিন স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে মঠবাড়িয়া পৌরসভার পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা অমল কৃষ্ণ সাহা বলেন, ডাস্টবিনগুলো কবে স্থাপন করা হয়েছে, সে বিষয়ে তার বিস্তারিত জানা নেই। তিনি জানান, কোনো ডাস্টবিন নষ্ট হয়ে থাকলে বা সেখানে ময়লা জমে থাকার অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, পৌরসভার কর্মীরা বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ করেন। তবে জনবল সংকটের কারণে সব এলাকায় নিয়মিত পৌঁছানো সম্ভব হয় না।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন