প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্বকাপের প্রায় সকল ব্যক্তিগত পুরস্কারই নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন জিতেছে, গোল্ডেন বুট ছাড়া। অন্যদিকে, রানার্সআপ আর্জেন্টিনার ঘরে এসেছে রানার্সআপ ট্রফি ও পদক। গোল্ডেন বল, গোল্ডেন গ্লাভস এবং সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের পুরস্কার গেছে লা রোহাদের দখলে।
১০৪ ম্যাচের দীর্ঘ প্রতিযোগিতার শেষে বিশ্বচ্যাম্পিয়নের মুকুট জিতেছে স্পেন। মাঠের অসাধারণ খেলায় স্পেনের খেলোয়াড়রা একাধিক ব্যক্তিগত সম্মাননা জিতেছেন। বিপরীতে, রানার্সআপ হলেও আর্জেন্টিনার ব্যক্তিগত পুরস্কারের তালিকায় কোনো স্থান হয়নি।
৪৮ দলের এই বিশ্বকাপে, স্পেনের গোলরক্ষক উনাই সিমন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত দারুণ খেলেছেন। আট ম্যাচে তিনি মাত্র একটি গোল হজম করেছেন। এ ছাড়া, বিশ্বকাপ ইতিহাসে টানা ৬৫০ মিনিট গোল না খাওয়ার রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। দুর্দান্ত রিফ্লেক্স এবং গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে অসাধারণ সেভ করে স্পেনের শিরোপা জয় নিশ্চিত করেছেন তিনি। তাই গোল্ডেন গ্লাভস জেতাটা প্রত্যাশিত ছিল।
এবারের বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল জিতেছেন স্পেনের মিডফিল্ডার রদ্রি। তার অসাধারণ নেতৃত্ব এবং ধারাবাহিক পারফরম্যান্স পুরো টুর্নামেন্টে স্পেনকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে স্পেনকে জেতাতেও তার ভূমিকা ছিল গুরুত্বপূর্ণ।
সেরা উদীয়মান খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন ১৯ বছর বয়সী স্প্যানিশ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসি। পুরো আসরে স্পেনের রক্ষণভাগের অন্যতম প্রধান ভরসা হিসেবে কাজ করেছেন তিনি। নিখুঁত পাসিং, পরিপক্ক রক্ষণ এবং ম্যাচ নিয়ন্ত্রণে তার নৈপুণ্য প্রশংসনীয় ছিল।
ফাইনালে জয়সূচক গোল করে ম্যাচসেরা বা প্লেয়ার অব দ্য ফাইনাল হয়েছেন ফেরান তোরেস।
আর অন্যদিকে, বিশ্বকাপের অন্যতম প্রাচীন ব্যক্তিগত পুরস্কার গোল্ডেন বুট জিতেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপে। আট ম্যাচে ১০ গোল এবং ৪ অ্যাসিস্ট করে তিনি এই পুরস্কার পান। একই সঙ্গে, লিওনেল মেসির ২১ গোলের রেকর্ড ছাড়িয়ে বিশ্বকাপ ইতিহাসে সর্বোচ্চ ২২ গোলের মালিক হন এমবাপে। মাত্র তিনটি বিশ্বকাপে ২২ ম্যাচ খেলে তিনি এই কীর্তি গড়েছেন।
গোল্ডেন বুট জয়ের জন্য লিওনেল মেসির সম্ভাবনা সম্পর্কে আর্জেন্টিনা সমর্থকদের মধ্যে নানা আলোচনা চলছিল। তবে ফাইনালে নিজের সেরা পারফরম্যান্স প্রদর্শন করতে পারেননি তিনি। কোনো গোল অথবা অ্যাসিস্ট ছাড়াই মাঠ ছাড়েন। পুরো টুর্নামেন্ট তিনি শেষ করেন ৮ গোল এবং ৪ অ্যাসিস্ট নিয়ে।
ফাইনালে, আর্জেন্টিনা নিজেদের পরিচিত ছন্দে খেলতে পারেনি। তবে স্পেন গুরুত্বপূর্ণ এ ম্যাচে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আধিপত্য দেখিয়েছে। গোলকিপিং, রক্ষা, মধ্যমাঠ এবং আক্রমণে সব বিভাগেই তারা প্রতিপক্ষকে ছাপিয়ে গিয়েছে। বিশ্বকাপ জয়ের সাথে সাথে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিগত পুরস্কারও স্পেন নিজেদের করে নিয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন