প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চুলের জট ছাড়ানো, মসৃণতা বৃদ্ধি করা অথবা চুলকে ঝলমলে দেখানোর জন্য অনেকেই ঘরোয়া হেয়ার মাস্কের ব্যবহার করেন। এর মধ্যে মেথি ও কাঁচা ডিমের তৈরি মাস্ক বেশ জনপ্রিয়। তবে চুলের যত্নে কোনটি বেশি কার্যকর, মেথি নাকি কাঁচা ডিম?
মেথির হেয়ার মাস্ক
দীর্ঘকাল ধরে চুলের পরিচর্যায় মেথির ব্যবহার হয়ে আসছে। মেথির দানা যদি পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখা হয়, তাহলে তা পিচ্ছিল ও জেলির মতো হয়ে যায়। পরবর্তীতে দানাগুলোকে বেটে হেয়ার মাস্ক তৈরি করা হয়।
এই পিচ্ছিল উপাদানটি চুলে প্রাকৃতিক কন্ডিশনারের মতো কাজ করতে সক্ষম। মেথির মাস্ক ব্যবহারের পর চুল তুলনামূলকভাবে নরম ও মসৃণ হতে পারে। ফলে চুল আঁচড়ানোও সহজ হয়ে যায়।
চুলের বাইরের স্তর বা কিউটিকল যদি মসৃণ থাকে, তাহলে আলো তুলনামূলকভাবে সমানভাবে প্রতিফলিত হয়। এর ফলে চুল আরও চকচকে ও প্রাণবন্ত দেখায়।
কাঁচা ডিমের হেয়ার মাস্ক
ডিমে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন ও অ্যামিনো অ্যাসিড বিদ্যমান। এই কারণে চুলের যত্নে ব্যবহৃত বিভিন্ন প্রসাধনীতে প্রোটিনজাত উপাদান দেখা যায়। ডিমে বায়োটিনসহ বিভিন্ন ভিটামিনও রয়েছে।
তবে ডিম খাওয়ার মাধ্যমে শরীর যে পুষ্টি গ্রহণ করে, কাঁচা ডিম সরাসরি চুলে লাগালে সেই ধরনের উপকার পাওয়া যায় না। বিশেষ করে কাঁচা ডিমের মাস্ক ব্যবহার করার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত চুলের গঠন মেরামত হবে এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।
কোনটি তুলনামূলক এগিয়ে?
চুলকে সাময়িকভাবে মসৃণ, কোমল ও চকচকে দেখানোর ক্ষেত্রে মেথির মাস্ক তুলনামূলকভাবে বেশি কার্যকর হতে পারে। ভেজানো মেথির পিচ্ছিল উপাদান চুলের ওপর মসৃণ আবরণ তৈরি করে, যা চুলকে নরম ও উজ্জ্বল দেখাতে সহায়তা করে।
যদি চান, তাহলে মেথি ও ডিম একসঙ্গে ব্যবহার করা সম্ভব। তবে ঘরোয়া হেয়ার মাস্ক চুলের ক্ষতি বা নির্দিষ্ট চুলের সমস্যার চিকিৎসার বিকল্প নয়। সংবেদনশীল ত্বক বা অ্যালার্জির প্রবণতা থাকলে ব্যবহারের আগে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।
সূত্র: আনন্দবাজার
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন