প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পাবনার ঈশ্বরদীতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে খরিফ মৌসুমের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ, শাকসবজির বীজ, সার, এবং লেবুর চারা বিতরণের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।
রোববার (২৩ আগস্ট) সকাল ১০ টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পাবনা-৪ (ঈশ্বরদী-আটঘরিয়া) আসনের সংসদ সদস্য আবু তালেব মন্ডল।
কৃষি অফিস সূত্রে জানানো হয়েছে, এ প্রণোদনার আওতায় উপজেলার মোট ১ হাজার ৬২ দশমিক ৬ একর জমিতে উৎপাদন বাড়ানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে ৫০০ জন কৃষককে জনপ্রতি ১ কেজি গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের বীজ, ১০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এমওপি সার এবং ১ কেজি বালাইনাশক দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া, লেবু বাগান স্থাপনের জন্য ২০ জন কৃষককে জনপ্রতি পাঁচটি করে উচ্চফলনশীল লেবুর চারা এবং ৩০ কেজি করে জৈব সার প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি, পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পূরণ ও বসতবাড়িতে সবজি চাষে উৎসাহিত করতে ২ হাজার ৭০০ জন কৃষককে খরিফ মৌসুমের বিভিন্ন শাকসবজির বীজের সঙ্গে ১৫ কেজি ডিএপি এবং ১৫ কেজি এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল মমিন বলেন, ঈশ্বরদী অঞ্চলে এর আগেও অফ-সিজনে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও লেবু চাষ করে কৃষকরা সফলতা পেয়েছেন। ভালো বাজারদর পাওয়ার কারণে এসব ফসলে বহু কৃষক লাভবান হয়েছেন। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবার প্রণোদনার পরিধি বাড়িয়ে কৃষকদের নতুন করে উৎসাহিত করা হচ্ছে। উপজেলার ৩ হাজার ২২০ জন ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক কৃষকের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ ও বিভিন্ন সবজির বীজ, রাসায়নিক ও জৈব সার, বালাইনাশক এবং লেবুর চারা বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে।
সংসদ সদস্য আবু তালেব মন্ডল বলেন, কৃষিই দেশের অর্থনীতির মূল ভিত্তি। কৃষকের উৎপাদন খরচ কমানো এবং দেশকে খাদ্য ও পুষ্টিতে স্বাবলম্বী করতে সরকার কাজ করছে। সময়মতো উন্নত জাতের বীজ ও প্রয়োজনীয় সার বিনামূল্যে পাওয়ায় কৃষকরা উৎপাদন বাড়ানোর সুযোগ পাবেন। এতে নিজেদের চাহিদা পূরণের পাশাপাশি দেশের বাজারেও তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন