প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
সংবিধান সংশোধনের উদ্দেশ্যে দেশের জাতীয় সংসদে ১২ সদস্য বিশিষ্ট একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে সোমবার (১৩ জুলাই) চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি সংসদে সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব উত্থাপন করেন, যা কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নেতৃত্বে গঠিত এই বিশেষ কমিটিতে বর্তমানে ১২ জন সদস্য রয়েছেন। কিন্তু বিরোধী দলের সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করে কমিটিকে ১৭ সদস্যে পুনর্গঠনের সুযোগ রাখা হয়েছে।
কমিটিতে সরকারি দল বিএনপির পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন, গণঅধিকার পরিষদ, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এবং একজন স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যও যুক্ত করা হয়েছে।
বিএনপি দলের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ (কক্সবাজার-১), চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মণি (বরগুনা-২), আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান (ঝিনাইদহ-১), জয়নুল আবেদীন (বরিশাল-৩), প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন (চট্টগ্রাম-৫), প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন (নাটোর-১), মাহমুদুল হক রুবেল (শেরপুর-৩) এবং শাকিলা ফারজানা (সংরক্ষিত মহিলা আসন-৮)।
অন্য সদস্যদের মধ্যে আছেন গণসংহতি আন্দোলনের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালীব রহমান (ভোলা-১), গণঅধিকার পরিষদের প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক (পটুয়াখালী-৩) এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. অলি উল্লাহ (বরগুনা-১)।
বিলের ওপর আলোচনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানের পর জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সরকার সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিল করতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
বিরোধী দলের ‘দুই শপথ’ প্রসঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন, বর্তমান সংসদ বিদ্যমান সংবিধানের ভিত্তিতে নির্বাচিত হয়েছে এবং সংসদের অধিবেশনও সেই সংবিধান অনুযায়ী আহ্বান করা হয়েছে।
তিনি বলেন, 'যদি কেউ বলে তারা দুইবার শপথ নিয়েছেন, আমরা তেমন কোনো দ্বিতীয় শপথ নিইনি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ নেয়ার কোনো সাংবিধানিক বা আইনগত ভিত্তি নেই।'
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, গণভোটের মাধ্যমে জনগণের যে রায় এসেছে, সরকার সেটিকে সম্মান করতে চায়। তবে সেই রায় কার্যকর করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনের প্রয়োজন।
তিনি জানান, যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সম্পর্কিত কোনো বিষয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে অন্তর্ভুক্ত করার প্রয়োজন দেখা দেয় তাহলে তা সংবিধান সংশোধন বিষয়ক বিশেষ কমিটিতে আলোচনা করা যেতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন