প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন ইমন, যিনি ডেভিড ইমন নামেও পরিচিত, তাকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে।
বুধবার (২৯ জুলাই) সকালে যশোর থেকে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের একটি দল তার গ্রেপ্তারি অভিযান পরিচালনা করে।
কে এই ইমন?
ইমন, বিদেশে পলাতক আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, যিনি বড় সাজ্জাদ নামে পরিচিত, তার অন্যতম সহযোগী।
তাঁর বিরুদ্ধে অন্তত ১৫টি মামলা রয়েছে। তিনি দুই বছর ধরে চট্টগ্রামে কিছু চাঁদাবাজি ও হুমকির ঘটনার সঙ্গে জড়িত আছেন, যা তার নাম আলোচনায় তুলে এনেছে।
মোবারক হোসেন, যিনি ইমন নামেও পরিচিত, চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার কাঞ্চননগর এলাকার মো. মুসার ছেলে। পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০২৫ সালের ৩০ মার্চ বাকলিয়া এলাকায় জোড়া খুনের ঘটনায়, একই বছরের ২৩ মে রাতে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবর হত্যাকাণ্ডসহ মোট অন্তত ১৫টি মামলার আসামি।
পুলিশের ভাষ্যে, ইমন ১৫ থেকে ২০টি আগ্নেয়াস্ত্র বহন করেছেন— এমন তথ্য তাদের কাছে রয়েছে। অস্ত্র ব্যবহারে তার দক্ষতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। বাকলিয়ার জোড়া খুনের ঘটনায় সন্ত্রাসী এবং মোটরসাইকেল ভাড়া করার দায়িত্বও ছিল তার বলে পুলিশ দাবি করেছে।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে, বিদেশে পলাতক সন্ত্রাসী সাজ্জাদ আলী, যিনি বড় সাজ্জাদ নামে পরিচিত, তার হয়ে বর্তমানে চট্টগ্রামে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার নেতৃত্ব দিচ্ছেন দুজন। তাদের একজন হলো ইমন।
এর আগে দেশে এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সাজ্জাদ হোসেন, যিনি ছোট সাজ্জাদ নামে পরিচিত। তিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং সেই কারণে ইমন ও মোহাম্মদ রায়হান বর্তমানে দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
রায়হানের বিরুদ্ধেও চাঁদাবাজি, অস্ত্র, হত্যাসহ বিভিন্ন অভিযোগে অন্তত আটটি মামলা রয়েছে।
পুলিশের দাবী অনুযায়ী, বড় সাজ্জাদের বাহিনীতে অন্তত ৫০ জন শুটার এবং সহযোগী বর্তমানে সক্রিয় রয়েছেন।
মোহাম্মদ রায়হান এবং ইমন তার হয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে নিয়মিত চাঁদা দাবি করে আসছেন। যদিও ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলেও তাদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন