প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভে অংশগ্রহণের আগে আটক হওয়া ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ এবং দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস মুক্তি পেয়েছেন।
রোববার (১১ অক্টোবর) নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাদের মুক্তির আদেশ দেন। শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে পৌঁছানোর পর পুলিশ তাদের আটক করে।
তাদের আইনজীবী সৌতিক বন্দ্যোপাধ্যায় মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, তিনজনকেই মুক্তি দেওয়া হয়েছে এবং তারা এখন চলে যেতে পারবেন।
মুক্তির পর সিজেপি নিজেদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে কটাক্ষ করে। দলটি জানায়, অবশেষে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপ, আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছে। পোস্টে উল্লেখ করা হয়, ‘ককরোচরা (তেলাপোকা) কখনও মরে না।’
পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, শনিবার (১০ অক্টোবর) দিল্লিতে তাদের উড়োজাহাজ অবতরণের সঙ্গে সঙ্গেই তিন নেতাকে আটক করা হয়। জন্তর মন্তরে পূর্বনির্ধারিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ রোধ করতে তাদের আগাম সতর্কতামূলকভাবে আটক করা হয়েছিল।
সিজেপি এবং বিরোধী দলগুলো প্রধান নির্বাচন কমিশনার গনেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছিল। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন কার্যক্রমে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তারা এই দাবি জানিয়ে আসছে।
বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। পুলিশের সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে সাত হাজারের বেশি বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে। তাদের জন্তর মন্তরে পৌঁছাতে বাধা দেওয়া হয়।
বিক্ষোভে যোগ দিতে যাওয়ার সময় সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পিনারাই বিজয়ন ও মানিক সরকারসহ বিরোধী দলের একাধিক নেতাকেও আটক করা হয়।
তিন নেতার মুক্তির পরও সিজেপি বিক্ষোভের কর্মসূচি থেকে সরে আসেনি। রোববার (১১ অক্টোবর) জন্তর মন্তরে আবারও বিক্ষোভের ডাক দেয় দলটি। এদিকে, কর্মসূচি ঘিরে দিল্লিতে নিরাপত্তা বজায় রাখতে ৩০ হাজারের বেশি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর সদস্য মোতায়েনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে।
সূত্র: টাইমস অফ ইন্ডিয়া
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন