প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে করা মামলার একমাত্র আসামি অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া, যিনি জাহের আলভী নামে পরিচিত, তাকে জিজ্ঞাসাবাদে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে পুলিশ।
দুদিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার (৩০ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাঈদের আদালতে জাহের আলভীকে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, যিনি ডিবির মিরপুর জোনাল টিমের পরিদর্শক আব্দুল মালেক, তার করা আবেদনে এই তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।
গত ১৮ জুন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছিল জাহের আলভী। তবে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে, ফলে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে ২১ জুন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করা হয়, এবং আদালত তার দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে।
রিমান্ড শেষে আজ, অর্থাৎ মঙ্গলবার, আলভীকে আদালতে হাজির করা হলে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা আব্দুল মালেক কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রিমান্ড চলাকালে তাকে বিভিন্ন বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক অনুসন্ধানে ঘটনার সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার তথ্যও পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। তদন্ত কার্যক্রম শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কারাগারে রাখা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করা হয় আবেদনে।
শুনানি শেষে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
গত ১ মার্চ বেলা পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করতে শুরু করে এবং বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।
ইকরার মৃত্যরের পর জাহের আলভী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত দেশে ফিরে আসেন এবং আত্মসমর্পণ করেন। তার আত্মসমর্পণের আগে, অভিনেতার মা নাসরিন সুলতানা একই মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন