প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ৫ জুলাই, ২০২৬ : দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আরও গতিশীল করার উদ্দেশ্যে নতুন একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।
এ লক্ষ্যে দেশের ৬৪ জেলার ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ১১টি সিটি কর্পোরেশনের ৫১টি নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ মোট ৫৩৯টি বিদ্যালয়ের তালিকার সঠিকতা যাচাই করার জন্য প্রত্যয়নপত্র পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পক্ষ থেকে এ-সংক্রান্ত একটি অফিস আদেশ জারি করা হয়।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ‘বিদ্যমান মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ১১টি সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন’ নামক প্রকল্পের আওতায় বিদ্যালয়গুলো নির্বাচন করা হয়েছে।
অতীতে দেশের ৬৪ জেলার বিদ্যমান ৪৮৮টি মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তথ্য ইন্টিাগ্রেটেড প্রাইমারি এডুকেশন ম্যানেজমেন্ট ইনফর্মেশন সিস্টেম থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে।
এছাড়াও, ১১টি সিটি কর্পোরেশন এলাকায় আরও ৫১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রকল্পের কার্যক্রম চূড়ান্ত করার পূর্বে নির্বাচিত বিদ্যালয়গুলোর তালিকা নির্ভুল এবং সর্বশেষ হালনাগাদ অবস্থাতে থাকা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হলো, তাঁরা নিজ নিজ জেলার বিদ্যালয়গুলোর তথ্য যাচাই-বাছাই করে নির্ধারিত ছকে প্রত্যয়নপত্র প্রস্তুত করবেন।
এতে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যয়নপত্রে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার স্বাক্ষর থাকা অবশ্যক এবং সেটি আগামী ৫ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগে পাঠাতে হবে।
নির্দেশনার সঙ্গে ১১টি সিটি কর্পোরেশন এলাকার নির্বাচিত বিদ্যালয়ের তালিকা ও প্রত্যয়নপত্রের নমুনা সংযুক্ত করা হয়েছে, যাতে জেলা পর্যায়ে যাচাই কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করতে সুবিধা হয়।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন বিভাগের পরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) মিরাজুল ইসলাম উকিল, এনডিসি স্বাক্ষরিত এই নির্দেশনা দেশের সব জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে নির্বাচিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর ভবন, শ্রেণিকক্ষ, স্যানিটেশন, নিরাপদ পানি, বিদ্যুৎ এবং অন্যান্য শিক্ষা-সহায়ক অবকাঠামোর উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।
এর ফলে শিক্ষার্থীদের জন্য আরও একটি নিরাপদ, আধুনিক এবং মানসম্মত শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন