প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নরসিংদীর পলাশ উপজেলায় হঠাৎ করেই পাগলা ঘোড়ার বেগে ছুটছে কাঁচা মরিচের দাম। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে বিভিন্ন বাজারে প্রতি কেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৪০০ টাকায়। এই অবস্থায় চরম বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা।
আজ শুক্রবার উপজেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে এই চিত্র। বিশেষ করে ব্যস্ততম ঘোড়াশাল বাজারসহ স্থানীয় খুচরা বাজারগুলোতে কাঁচা মরিচের ঝাঁজ যেন ক্রেতাদের চোখে জল এনে দিয়েছে। বাজার করতে আসা ক্রেতারা জানান, হঠাৎ করেই কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই কাঁচা মরিচের দাম দ্বিগুণ-তিনগুণ বেড়ে গেছে। আগে যেখানে এক কেজি কাঁচা মরিচ সাধ্যের মধ্যে কেনা যেত, এখন অতিরিক্ত দামের কারণে তা গ্রাম বা পোয়া হিসেবে কিনতে বাধ্য হচ্ছেন তারা।
ক্ষোভ প্রকাশ করে সাব্বির হোসেন নামে এক ক্রেতা বলেন, "সব জিনিসেরই তো একটা সীমা থাকে। যেভাবে কাঁচা মরিচের দাম বেড়ে ৪০০ টাকায় ঠেকেছে, তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে মরিচ কেনাও বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।" ক্রেতা আম্বিয়া বেগম বলেন, "১০০ টাকার মরিচ কিনতাম। এখন ৫০ টাকায় ২০-৩০টা কিনে আনতে হয়। সংসার চালানোই কষ্ট হয়ে যাচ্ছে।"
এদিকে দামের এমন লাগামহীন ঊর্ধ্বগতিতে বিপাকে পড়েছেন নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষ। অনেকেই এখন রান্নায় কাঁচা মরিচের বদলে শুকনা মরিচ বা অন্যান্য মশলা ব্যবহার করছেন। ঘোড়াশাল বাজারের বিক্রেতা ফারুক বলছেন, "টানা কয়েকদিনের ভারী বৃষ্টিতে ক্ষেতে পানি জমে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কাঁচামরিচ চাষিরা। অনেক ক্ষেতের মরিচ গাছ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমে গেছে।" একই বাজারের ব্যবসায়ী আমিনুল বলেন, "পাইকারি বাজারে সরবরাহ কম থাকায় এবং গ্যাসের সংকটের অজুহাতে অতিরিক্ত পরিবহন খরচের কারণে তাদের বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। পাইকারি বাজারেই দাম বেশি হওয়ায় খুচরা বাজারে এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে বলে জানান তারা।"
দ্রুত বাজার মনিটরিং জোরদার করে কাঁচা মরিচের দাম সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল ও ভোগান্তিতে পড়া ক্রেতারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন