প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইরানের তেল বাণিজ্য এবং অস্ত্র তহবিলের পথ বন্ধ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এই নিষেধাজ্ঞার আওতায় তেহরান-সংশ্লিষ্ট মোট আটটি ট্যাংকার এবং ১০টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। মার্কিন অর্থ বিভাগের এক বিজ্ঞপ্তিতে এই বিষয়ে নিশ্চিত করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ট্রাম্প প্রশাসন সর্বোচ্চ চাপ প্রয়োগ নীতির অংশ হিসেবে নিষেধাজ্ঞাগুলো আরোপ করেছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো ইরানের তেল পরিবহনকারী তথাকথিত ‘শ্যাডো ফ্লিট’ এবং এই শিল্পের পেছনের কোম্পানিগুলোকে নিশানা করা। এই পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে যাতে করে তেহরান তাদের অস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনার জন্য এবং আঞ্চলিক সমর্থিত গোষ্ঠীগুলোকে অর্থায়ন করার জন্য সক্ষম না হয়। খবরটি প্রকাশিত হয়েছে আল জাজিরার মাধ্যমে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক সময়ের পাল্টাপাল্টি সামরিক হামলা এবং হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হয়ে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে যে ক্ষতির সৃষ্টি হতে পারে, তার চরম উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যে ওয়াশিংটন এই নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছে।
অন্যদিকে, জর্ডানে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তেহরানকে কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তিনি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘ফক্স নিউজ’-এর সঙ্গে এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এই হামলার জন্য তেহরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।
জর্ডানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার প্রেক্ষাপটে, ট্রাম্প ক্ষোভ প্রকাশ করে জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র তাদের ওপর প্রচণ্ড সামরিক আঘাত হানবে। তিনি ইরানের ওই ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে ‘আকস্মিক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন, যেকোনো প্রতিক্রিয়া জানাতে মার্কিন সেনাদের হাতে মাত্র কয়েক মিনিট সময় ছিল, কারণ ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পৌঁছানোর আগে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড দাবি করেছে, জর্ডানের সামরিক ঘাঁটিতে আঘাত হানার আগে তারা ইরানের ছোড়া সব ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে ভূপাতিত করতে সক্ষম হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন