প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বরগুনায় পল্লী বিদ্যুতের গ্রিড সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের কারণে প্রায় ৬৭ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। আগুনের ফলে সাবস্টেশনের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে।
এ ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৭ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বরগুনা সদর উপজেলার ২ নম্বর গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতালা নামক এলাকার গ্রিড সাবস্টেশনে। পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান রাতে এ বিষয়ে নিশ্চিত করেন। স্থানীয় সূত্র ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তথ্যমতে, বরগুনা সদর উপজেলার গৌরীচন্না ইউনিয়নের খেজুরতলা এলাকার এ ৩৩-১১ কেভি গ্রিড সাবস্টেশনে বিকট শব্দের পর আগুন লেগেছে।
শুধু এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যে অগ্নিকাণ্ডে সাবস্টেশনের ৬ নম্বর ফিডারসহ বিভিন্ন তারের সংযোগ ও গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রাংশ পুড়ে যায়। যদিও এ ঘটনায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, বরগুনা সদর উপজেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৭ হাজার গ্রাহক এখন বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন অবস্থায় রয়েছেন। পরে খবর পেয়ে পল্লী বিদ্যুতের প্রকৌশলী ও কর্মীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত যন্ত্রাংশ পরীক্ষা ও মেরামতের কাজ শুরু করেন।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ বিস্ফোরণ এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুতের বরগুনা জোনাল অফিসের ডিজিএম মোহাম্মদ নাজমুল হাসান জাগো নিউজকে বলেন, "আমরা রাতে অফিসেই ছিলাম। হঠাৎ করে একটি বিকট শব্দ শোনা যায় এবং বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থলে এসে দেখি ১১ কেভি এসিআর বিস্ফোরণ হয়ে বিদ্যুৎ সঞ্চালন বন্ধ হয়েছে।"
তিনি আরও জানান, "অনেক তার ও যন্ত্রাংশ পুড়ে গেছে। আমরা কাজ শুরু করেছি এবং সকল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছি। তবে যে যন্ত্রাংশটি পুড়ে গেছে তা পটুয়াখালী থেকে নিয়ে আসতে হবে। আমাদের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। রাতের মধ্যে বিদ্যুৎ সঞ্চালন চালু করতে না পারলেও আগামীকাল সকালের মধ্যে চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।" এ বিষয়ে তিনি আরও জানান, "অভ্যন্তরীণ ত্রুটির কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন