প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
গালে ও থুতনিতে কালচে ছোপ পড়া মূলত লিভারের সমস্যা অথবা হরমোনের ভারসাম্যের অভাবের প্রাথমিক লক্ষণ হিসেবে দেখা দিতে পারে। তবে এটি সরাসরি কোনো রোগ নয়, বরং শরীরের ভেতরের কোনো সমস্যার বহিঃপ্রকাশ হতে পারে। কারণ, লিভারের অসুখের কিছু লক্ষণ মুখের ওপরও ফুটে ওঠে। ব্রণও হতে পারে। সেগুলো সাধারণভাবে এড়িয়ে গেলে বিপদ ঘটতে পারে।
লিভারের রোগের লক্ষণ সাধারণত আগে থেকে বোঝা যায় না। অনেকেই মনে করেন, লিভারের অসুখ মানে জন্ডিস বা পেট ভার কিংবা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা দেখা দেবে। ঘন ঘন অম্বলও ভোগাবে। কিন্তু সব ক্ষেত্রে তা নাও হতে পারে।
লিভারের রোগের এমন কিছু উপসর্গ রয়েছে, যা মুখে ফুটে ওঠে। সেসব লক্ষণ দেখে বোঝা যায় যে, লিভার মোটেও ভালো নেই। যদি লিভারে মেদ জমে ফ্যাটি লিভার হয়ে থাকে, তাহলেও এর উপসর্গ ত্বক, চোখ ও মুখে দেখা দিতে থাকে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, লিভারের রোগের যে লক্ষণ মুখে ফুটে ওঠে—
চোখ ও ত্বক হলদে ভাব দেখা দেওয়া। লিভারের সমস্যা হলে মুখে যে লক্ষণটি সবচেয়ে আগে ফুটে ওঠে, তা হলো চোখ ও মুখের ত্বকে হলদেটে ছোপ দেখা যায়। অনেক সময়ে ত্বকের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যেতে পারে। লিভার ক্ষতিগ্রস্ত হলে রক্তে থাকা বিলিরুবিন নামক এক ধরনের হলুদ রঞ্জকের পরিমাণ বেড়ে যায়। এই বিলিরুবিন রক্তের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে চোখের সাদা অংশ, মুখের ত্বকে। তখন রঙে এমন বদল ঘটে।
স্পাইডার অ্যানজিওমা
গাল ও নাকের পাশে কিংবা থুতনিতে সূক্ষ্ম লাল শিরার মতো ফুটে ওঠে। লিভার সঠিকভাবে কাজ না করলে আপনার শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়। আর রক্তে ইস্ট্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলে মুখের ত্বকের ঠিক নিচে থাকা ছোট রক্তনালিগুলো প্রসারিত ও স্ফীত হয়ে যায়। তখন দেখতে লাগে মাকড়সার জালের মতো। সে জন্য চিকিৎসকরা এ রোগকে স্পাইডার অ্যানজিওমা বলে থাকেন।
গালে কালচে দাগ
লিভার যখন রক্ত থেকে টক্সিন কিংবা বিষাক্ত উপাদান বের করতে পারে না, ঠিক তখন আপনার শরীরের বিপাকক্রিয়ায় ত্রুটি দেখা দেয়। এর প্রভাবে ত্বকের মেলানোসাইট কোষগুলো অতিরিক্ত মেলানিন রঞ্জক তৈরি করতে থাকে। ফলে গালে ও থুতনিতে কালচে ছোপ পড়ে যায়।
থুতনি ও চোয়ালে ব্রণ
লিভার দুর্বল হলে অ্যান্ড্রোজেন ও ইস্ট্রোজেন হরমোন বেড়ে যায়, যা মুখের সিবেসিয়াস গ্রন্থিকে অতিরিক্ত তেল নিঃসরণে বাধ্য করে। ফলে গাল, থুতনি ও চোয়ালে ব্রণ বের হয় এবং তা সারতে চায় না। অনেক সময়ে মেছতার দাগও দেখা দিয়ে থাকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন