প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
হাম এবং ডেঙ্গুর উপসর্গ খুব কাছাকাছি হওয়ায় অভিভাবকরা বিভ্রান্ত হচ্ছেন। এতে রোগ শনাক্ত করতে দেরি হচ্ছে এবং ফলে বাড়ছে জটিলতা। চিকিৎসকদের পরামর্শ, তিন দিনের বেশি জ্বর থাকলে অবিলম্বে হাসপাতালে নিতে হতে হবে।
জ্বর, শরীরে র্যাশ, ব্যথা এবং দুর্বলতা এরকম সব উপসর্গ দেখা দিলে, অভিভাবকদের প্রথম চিন্তা হচ্ছে হাম। কিন্তু একই সময়ে দেশে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব চলমান রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে, একই ধরনের প্রাথমিক লক্ষণের জন্য বিভ্রান্তিতে পড়ছেন অভিভাবকরা।
শিশু হাসপাতালের হাম এবং ডেঙ্গু ওয়ার্ডে ভর্তি শিশুদের লক্ষণ প্রায় একই। কারও জ্বর থেকে র্যাশ দেখা দিয়েছে, আবার কারও তীব্র জ্বরের সঙ্গে নিউমোনিয়ার উপসর্গও রয়েছে।
চিকিৎসকরা বলছেন, দুটোই ভাইরাসবাহিত রোগ, ফলে উপসর্গও অনেকটা কাছাকাছি। তবে এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে র্যাশের ধরণ, চোখের সংক্রমণসহ কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষণের দিকে। তাই তিন দিনের বেশি তীব্র জ্বর আসলে অবিলম্বে চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।
চিকিৎসকেরা জানান, যে শিশুদের হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, তাদের মধ্যে প্রতি দশটি শিশুর অন্তত দুজনের ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে। ক্রমান্বয়ে আক্রান্তের সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে।
শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুজ্জামান কামরুল বলছেন, ‘যদি জ্বর বেশি হয়, অর্থাৎ তাপমাত্রা ১০৩ বা ১০৪ ডিগ্রি হয়, তাহলে সেটি স্বাভাবিক জ্বর নয়। তখন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা প্রয়োজন।’
তিনি আরও বলেন, ‘ডেঙ্গুর লক্ষণ নিয়ে আমাদের কাছে আসা শিশুদের পরীক্ষা করলে ৫ বা ১০ জনের মধ্যে দু-একজনের শরীরে ডেঙ্গু ধরা পড়ছে।’
ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশার কামড় থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করার কথাও বললেন চিকিৎসকরা। সেইসাথে হাম প্রতিরোধে শিশুদের সময়মতো টিকা এবং পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করার পরামর্শ দেন তারা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন