প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
চাঁদপুরের কচুয়া এলাকায় নিজেই প্রতিষ্ঠিত মহিলা মাদরাসার ১৩ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে পুলিশ মো. নুরুল আলম (৪০) নামের এক শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে।
গ্রেপ্তার হওয়া শিক্ষককে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) চাঁদপুর আদালতে পাঠানো হয়েছে। এর আগে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মো. নুরুল আলম কচুয়া উপজেলার আশ্রাফপুর ইউনিয়নের চক্রা গ্রামের বেনুছো বাড়ির মদিনাতুল উলুম মহিলা মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক ও শিক্ষক।
মামলার এজাহার অনুযায়ী, অভিযুক্ত নুরুল আলম দীর্ঘদিন ধরে মাদরাসার আবাসিক কক্ষে অবস্থানরত ভুক্তভোগী ছাত্রীকে বিভিন্ন সময় কুপ্রস্তাব ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন। ঘটনার দিন রোববার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে, ভুক্তভোগী ছাত্রী পড়ালেখা করছিলেন। এ সময় শিক্ষক নুরুল আলম কৌশলে তাকে পড়ার কক্ষ থেকে শোয়ার কক্ষে নিয়ে জোরপূর্বক অনাকাঙ্ক্ষিত শারীরিক স্পর্শ ও শ্লীলতাহানি করেন। পরে ওই ছাত্রী নিজেকে ছাড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়ে এবং দ্রুত পড়ার কক্ষে গিয়ে বিষয়টি তার মাকে জানায়। খবর পেয়ে ছাত্রীর মা মাদরাসায় গিয়ে মেয়ে ও তার সহপাঠীদের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত শোনেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত শিক্ষক এর আগেও মাদরাসার একাধিক ছাত্রীর সঙ্গে এ ধরনের আচরণ করেছেন।
ঘটনার পর, ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে মো. নুরুল আলমকে একমাত্র আসামি করে কচুয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০-এর ১০ ধারায় মামলা করেন (মামলা নম্বর-২৩)।
এ বিষয়ে কচুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আজিজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত নুরুল আলমকে গ্রেপ্তার করা হয়। সোমবার সকালে তাকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন