প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রযোজক ও অভিনেত্রী দিয়া মির্জা ২০০১ সালে ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডে প্রবেশ করেন। প্রায় এক দশক পর তিনি প্রযোজনায় নাম লেখান। বলিউডের অভিনেত্রী থেকে প্রযোজক হওয়ার এই যাত্রা তার জন্য সহজ ছিল না।
২০১৪ সালে, দিয়া মির্জা তার নিজস্ব প্রযোজনায় ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি নির্মাণের উদ্যোগ নেন। এই সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে তাকে নিজের প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রাখতে হয়। পাশাপাশি, ব্যাংক থেকে ঋণ নিতে বাধ্য হন। তবে বিভিন্ন প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে, তিনি সেই ঋণের বোঝা মিটিয়ে নিজের বাড়ি পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হন।
নারীপ্রধান গল্প নিয়ে নির্মিত ‘ববি জাসুস’ সিনেমাটির জন্য অভিনয়ের প্রস্তাব গ্রহণ করেন বিদ্যা বালান। কিন্তু শুটিং শুরুর ঠিক আগে, সিনেমাটির সব বিনিয়োগকারী সরে দাঁড়ান। ফলে, দিয়া মির্জা চরম বিপাকে পড়েন। পুরো প্রজেক্টটি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।
এমন অবস্থায়, দিয়া মির্জা হাল না ছেড়ে, কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখে ও ব্যাংকঋণ নিয়ে সিনেমার কাজ শুরু করেন। সিনেমাটি মুক্তির পর বক্স অফিসে প্রত্যাশিত সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। তবে, তিনি সিনেমাটি নিজের মনের মতো করে নির্মাণ করতে পেরে সন্তুষ্ট ছিলেন। ব্যবসায়িক ক্ষতি সামলে, ধীরে ধীরে তিনি ব্যাংকের ঋণ পরিশোধ করেন এবং বন্ধক রাখা বাড়িটি ছাড়িয়ে নেন।
‘ববি জাসুস’ সিনেমাটি নির্মাণের সময়, নারী হওয়ার কারণে তাকে বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয়েছে বলেও জানান দিয়া মির্জা। তিনি বলেন, প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার পর, অভিনয়ে কাজ পেতে তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। পুরুষ অভিনেতা এই কাজ করলে মোটা অঙ্কের পারিশ্রমিক পেতেন, তাই নারী অভিনেত্রীদের ক্ষেত্রেও একই সম্মান বজায় রাখা উচিত বলে জানান তিনি।
দিয়া বলেন, "আমি আমার প্রথম কেনা বাড়িটি বন্ধক রেখেছিলাম। যে গল্পটা বলতে চেয়েছিলাম, সেটি লেখা হয়ে গিয়েছিল। বিদ্যা বালানের মতো অসাধারণ একজন শিল্পী আমার সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হয়েছিলেন। একটা টিমও তৈরি হয়েছিল। কিন্তু হঠাৎ বিনিয়োগকারীরা সরে গেলেন।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন