প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতের মুম্বাইয়ের শিবাজী পার্কে সমাবেশের অনুমতি না মেলায় নতুন এক আন্দোলনের সূচনা করেছে ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি (সিজেপি)।
দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) আন্দোলনের পরিকল্পনার কথা জানান। ঘোষণায় বলা হয়েছে, ২ অক্টোবর ভারতের বাণিজ্যিক রাজধানী মুম্বাইয়ে ‘জেল ভরো আন্দোলন’ করবে তরুণদের এই প্লাটফর্মটি। খবরটি প্রকাশ করেছে দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবি জানিয়ে ২ অক্টোবর শিবাজী পার্কে বিক্ষোভ সমাবেশের অনুমতি চেয়েছিল সিজেপি। তবে, মুম্বাই হাইকোর্টের ২০১৩ সালের এক আদেশের উল্লেখ করে রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) মুম্বাই পুলিশ জানায়, শিবাজী পার্ক শুধুমাত্র ক্রীড়া সংক্রান্ত কাজে ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত।
পুলিশের বক্তব্যে আরও বলা হয়, এই কর্মসূচির কারণে আবাসিক এলাকায় ‘শব্দদূষণ’ সৃষ্টি হতে পারে। তাছাড়া, আশেপাশের বড় হাসপাতালগুলোর কারণে প্রতিবাদ থেকে সৃষ্ট যানজট রোগী পরিবহনে সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
মুম্বাই পুলিশের এমন অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায়, মহারাষ্ট্রের উপ-মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্দের গত জানুয়ারিতে একই স্থানে একটি জনসভায় ভাষণ দেওয়ার ভিডিও শেয়ার করে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপ প্রশ্ন তোলেন, শিন্দে কীভাবে এই জায়গায় অনুষ্ঠানের অনুমতি পেয়েছিলেন?
এদিকে, গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে জানা যায়, ভোটার তালিকার স্পেশাল ইনটেন্সিভ রিভিশন (এসআইআর) সংক্রান্ত নির্বাচন কমিশনের একাধিক সিদ্ধান্তে ১০ মাসে অন্তত ১৪ বার আপত্তি জানিয়েছেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এই প্রতিবেদনের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ এবং তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি কার্যবিধিতে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায় ককরোচ বা তেলাপোকা জনতা পার্টি।
সংবাদপত্রটির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশী এসআইআর সম্পর্কিত কিছু সিদ্ধান্ত তাদের না জানিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে আনুষ্ঠানিকভাবে আপত্তি জানান।
গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সিজেপি হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, প্রধান নির্বাচন কমিশনার পদত্যাগ না করলে ২ অক্টোবর থেকে দেশব্যাপী আন্দোলন শুরু হবে। দীপ তখন বলেন, ‘চলুন, এই গান্ধী জয়ন্তীতে আমরা গণতন্ত্র রক্ষার অঙ্গীকার করি।’
তিনি আরও জানান, আন্দোলনটি মুম্বাই থেকে শুরু হয়ে পরবর্তীতে ভারতের অন্যান্য শহরে ছড়িয়ে দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন