প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঠিক কী প্রক্রিয়ায় অথবা কোন স্ট্যাটাসে সেখানে আছেন সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য বাংলাদেশের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
সোমবার (১৭ আগস্ট) সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। চিফ প্রসিকিউটর উল্লেখ করেছেন, শেখ হাসিনা বিচার প্রক্রিয়ায় দণ্ডপ্রাপ্ত। বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে তাকে দেশে ফিরানোর জন্য ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন করেছে। আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
ভারতের একটি সংবাদমাধ্যমে শেখ হাসিনাকে নিয়ে আদালতের অনুমতির প্রয়োজন হতে পারে- এমন খবর প্রসঙ্গে আমিনুল ইসলাম মন্তব্য করেছেন, সংবাদমাধ্যমটি সঠিকভাবে উল্লেখ করেনি, শেখ হাসিনা কি রাজনৈতিক আশ্রয়ে ভারতে আছেন বা ঠিক কী স্ট্যাটাসে সেখানে অবস্থান করছেন। এ জন্য ওই প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে মন্তব্য করা সঠিক হবে না।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত জানে না শেখ হাসিনা ভারতে কি স্ট্যাটাসে অবস্থান করছেন। এর ফলে ভারতীয় আদালতের অনুমতি সংক্রান্ত বিষয়টি কীভাবে বিবেচনা করা হবে, সেটিও পরিষ্কার নয়।
এই সময় সাংবাদিকরা জানতে চান, ভারতের মেঘালয়ে সালাহউদ্দিন আহমেদের অবস্থান ও পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার সঙ্গে শেখ হাসিনার বিষয়টির কোনো সম্পর্ক আছে কি না। এর জবাবে চিফ প্রসিকিউটর বলেছেন, দুই বিষয়ের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।
তিনি জানান, সালাহউদ্দিন আহমেদকে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ থেকে অপহরণ করে ভারতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। পরে ভারতের শিলংয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া যায় এবং তার বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলায় তিনি খালাস পান। পরবর্তী সময়ে তিনি বাংলাদেশে ফিরে আসেন।
এছাড়াও তিনি জানান, জুলাই আন্দোলনে ভূমিকার অভিযোগে সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়েছে।
তিনি বলেন, জুলাই আন্দোলনে তাদের ভূমিকার কারণে প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং প্রায় ৩০ হাজার মানুষ পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। এসব অপরাধের দায় আসামিদের নিতে হবে এবং ট্রাইব্যুনাল তাদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেবেন, এ ব্যাপারে তারা প্রত্যাশা করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন