প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি কনটেন্ট চিহ্নিত করা, বোঝা এবং দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের জন্য বিশেষ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে ‘টিকটক’। এআই সম্পর্কে সচেতনতা, দক্ষতা, তথ্য প্রদান এবং এআই স্প্যাম শনাক্ত করার উদ্দেশ্যে ‘কোয়ালিশন ফর কনটেন্ট প্রোভেন্যান্স অ্যান্ড অথেন্টিসিটি’ (C2PA) জোটের সঙ্গে সহযোগিতা করছে টিকটক।
এআই সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন ফিচারসহ একটি লার্নিং হাব চালু করেছে টিকটক। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের তথ্য সুরক্ষিত থাকবে। একইসাথে, এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্ট সম্পর্কে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা আরও স্পষ্ট ধারণা লাভ করতে সক্ষম হবে।
যেসব অ্যাকাউন্ট এআই ব্যবহার করে স্প্যাম তৈরি করছে, সেসব কনটেন্ট শনাক্ত করার জন্য পরীক্ষামূলকভাবে উন্নত প্রযুক্তি চালু করবে টিকটক। বিশেষ করে, যেসব বিষয় মানুষের আস্থা বা সুস্থতার ওপর প্রভাব ফেলতে পারে, সেসব বিষয়ে স্প্যাম নির্মূল করতে এ ব্যবস্থায় গুরুত্ব দেওয়া হবে।
এআই-নির্ভর কনটেন্টের স্বচ্ছতা বাড়ানোর জন্য টিকটক C2PA এর স্টিয়ারিং কমিটিতে যুক্ত হচ্ছে। এছাড়া, প্রতিষ্ঠান ন্যামলি এবং এআই বিশেষজ্ঞ হেনরি আজদারের সঙ্গে যৌথভাবে একটি নতুন গাইডলাইন তৈরি করেছে টিকটক। এখানে এআইয়ের টুলগুলো দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহারের বিষয়গুলো উল্লেখ থাকবে।
টিকটকের নতুন ইন-অ্যাপ এআই হাবটি বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। এতে প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীরা সরাসরি এআই সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং বিভিন্ন রিসোর্সে সহজে অ্যাক্সেস পাবেন।
টিকটক অ্যাপে এআই-সম্পর্কিত কোনো শব্দ সার্চ করলে ব্যবহারকারীরা সার্চ রেজাল্টে AI Hub খুঁজে পাবেন। এখানে এআই দ্বারা তৈরি কনটেন্ট কীভাবে শনাক্ত করা যায় এবং এআই কিভাবে দায়িত্বশীলভাবে ব্যবহার করতে হয় সে বিষয়ে তথ্য থাকবে।
এআই নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তথ্য প্রদান করতে ২০২৫ সাল থেকে ‘নোফিল্টার’ ও ‘রাসবেরি পাই ফাউন্ডেশন’ এর মতো বিশেষজ্ঞ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে কাজ করছে টিকটক। এ পর্যন্ত এই উদ্যোগে প্রায় ৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি বিনিয়োগ করেছে টিকটক।
প্ল্যাটফর্মে স্প্যাম নিষিদ্ধ করার পাশাপাশি, টিকটক ভুয়া অ্যাকাউন্টগুলোও সরিয়ে ফেলছে। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসেই ৮ কোটি ৬০ লাখের বেশি ভুয়া অ্যাকাউন্ট সরিয়েছে টিকটক।
এআই-নির্ভর কনটেন্ট শনাক্ত করতে উৎস-তথ্য, ক্রিয়েটরদের লেবেল এবং অদৃশ্য ওয়াটারমার্ক ব্যবহারের ফিচার রয়েছে টিকটকে। ‘স্মার্ট স্প্লিট’, ‘এআই আউটলাইন’ এবং ‘ম্যানেজ টপিক্স’-এর মতো সুবিধার মাধ্যমে নিরাপদে এআই ব্যবহার এবং কনটেন্টের ওপর আরও নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত হচ্ছে টিকটকে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন