প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন নৌবাহিনীর বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনে নিজেদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের একটি ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় সাত জন নৌসেনা নিহত হয়েছেন এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন একাধিক ইরানি গণমাধ্যমে।
চলমান যুদ্ধে ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে সাগরে মোতায়েন রয়েছে বিমানবাহী রণতরীটি। এই পরিস্থিতিতে, রণতরিতে থাকা নাবিক ও মেরিনদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং জীবনযাপনের পরিস্থিতি নিয়ে তাদের পরিবার প্রশ্ন তুলেছেন। প্রায় ৫ হাজার নাবিক ও মেরিনকে বহনকারী এই রণতরির দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েন এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে কর্মকর্তাদের কাছে তারা জবাব চেয়েছেন।
ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সির একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘদিনের মোতায়েনকে কেন্দ্র করে নাবিকদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ে এবং এর ফলে রণতরীতে ভয়াবহ সংঘাতের ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের প্রধান ব্র্যাড কুপারের এক উপদেষ্টা যখন নাবিকদের অভিযোগ শুনতে রণতরীটিতে উপস্থিত হন, তখন পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে শুরু করে। জাহাজটির দীর্ঘদিনের মোতায়েনের কারণে নাবিকদের পরিবারের সদস্যদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয় এবং এই বিষয়টি নিয়ে বিক্ষোভও হয়।
নাবিকদের এক সমাবেশে ওই উপদেষ্টা বক্তব্য দেওয়ার সময় তাকে লক্ষ্য করে দুয়োধ্বনি দেওয়া হয় এবং পানির বোতল ছোড়া হয়। এরপরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে পড়ে এবং জাহাজের নাবিকদের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সংঘর্ষের একপর্যায়ে ছুরি সহ অন্যান্য ধারালো অস্ত্র ব্যবহার করা হয়। ফলে সাত জন নৌসদস্য নিহত হওয়ার পাশাপাশি আরও কয়েকজন আহত হন। ঘটনাটি ঘটার পরও জাহাজটির ভেতরের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ ও অস্থির রয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন টানা ২৬৩ দিন ধরে মোতায়েন রয়েছে এবং বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। দীর্ঘ এই মোতায়েনের কারণে নাবিকদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে বলেও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
তবে সাত জন নিহত হওয়ার এই দাবির কোনো নির্ভরযোগ্য নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি। মার্কিন নৌবাহিনী বা অন্য কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকেও এই ঘটনার বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। তাই হতাহতের তথ্যটি আপাতত প্রতিবেদনে করা দাবি হিসেবেই উপস্থাপন করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন