প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে প্রায় সব জায়গায় দেখা যাচ্ছে ৩৫ বছর বয়সী এক নারীকে। সরকারি অনুষ্ঠান থেকে সফর, প্রেসিডেন্টের কাছাকাছিই থাকছেন তিনি। তার নাম নাটালি হার্প। আর এই ঘনিষ্ঠতা ঘিরেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে।
এবার সেই আলোচনা নিয়ে ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের প্রতিক্রিয়া কেমন, তা নিয়েও এসেছে নতুন দাবি। তবে শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার, ট্রাম্প ও হার্পের মধ্যে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ তবে সামনে আসেনি। হোয়াইট হাউসও এই ধরনের আলোচনা ভিত্তিহীন গুজব বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ডেমোক্র্যাট সিনেটর জন অসফ আলোচনাটি নতুন করে সামনে নিয়ে আসেন। গেলো রোববার, তিনি ট্রাম্প ও হার্পকে নিয়ে রসিকতা করেন। তার বক্তব্যের পরেই বিষয়টি নিয়ে শুরু হয় রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টি আক্রমণ। সংবাদমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে প্রকাশ পেয়েছে এ তথ্য।
কে এই নাটালি হার্প? ওয়ান আমেরিকা নিউজ নেটওয়ার্কের সাবেক উপস্থাপক হার্প কয়েক বছর ধরেই ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ পরিমণ্ডলে রয়েছেন। ট্রাম্প দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর তাকে নির্বাহী সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনি প্রচারে, হার্পকে ‘হিউম্যান প্রিন্টার’ বা ‘মানব প্রিন্টার’ নামও দিয়েছিলেন ট্রাম্প। কারণ, তিনি সঙ্গে প্রিন্টার রাখতেন এবং ট্রাম্পের পছন্দ হতে পারে এমন সংবাদ দ্রুত প্রিন্ট করে পৌঁছে দিতেন তার কাছে। সাম্প্রতিক সময়ে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তার উপস্থিতি হয়ে উঠেছে আরও দৃশ্যমান। একই সময়, বিভিন্ন সরকারি অনুষ্ঠানে মেলানিয়ার অনুপস্থিতিকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়েছে নানা জল্পনাও। তবে মেলানিয়ার অনুপস্থিতি এবং ট্রাম্প-হার্পকে ঘিরে যে গুঞ্জন রয়েছে, তার মধ্যে সরাসরি কোনো সম্পর্কের প্রমাণ নেই।
এই আলোচনায় মেলানিয়ার নাম তুলে ধরেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সেমাফোর। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তির বরাতে দাবি করা হয়েছে যে, ট্রাম্পের তীব্র প্রতিক্রিয়ার একটি কারণ হলো ফার্স্টলেডি এ ধরনের আলোচনা পছন্দ করেন না। অর্থাৎ, মেলানিয়া নিজে প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য দিয়েছেন এমন তথ্য সেখানেও নেই। তার কথিত বিরক্তির বিষয়টি একটি নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের মাধ্যমে এসেছে।
এদিকে, অসফের বক্তব্যের পর ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তাদের দাবি, হার্প প্রেসিডেন্টের দলের অন্যতম বিশ্বস্ত ও পরিশ্রমী সহকারীদের একজন। ওভাল অফিসে ট্রাম্পের কাছেও বিষয়টি জানতে চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু তিনি তখন সম্পর্কের গুঞ্জন নিয়ে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসফের সমালোচনা করেন। ফলে, ট্রাম্প ও নাটালি হার্পের সম্পর্ক নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা যতই বাড়ুক, এখন পর্যন্ত সেটি রয়েছে গুঞ্জনের পর্যায়েই। আর মেলানিয়া এতে বিরক্ত বলার দাবিও সরাসরি তার কাছ থেকে নয়, এসেছে হোয়াইট হাউস-ঘনিষ্ঠ একটি বেনামি সূত্রের মাধ্যমে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন