প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসে (এডব্লিউএস) সম্প্রতি যোগদান করেছেন রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রুয়েট) সাবেক শিক্ষার্থী আকিব জাবেদ। তিনি প্রতিষ্ঠানটির নন-ডেস্ট্রাকটিভ টেস্টিং (এনডিটি) প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
আকিব রুয়েটের ২০১৬–১৭ শিক্ষাবর্ষের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন শিক্ষার্থী। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করার পর উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। পরে যুক্তরাষ্ট্রের দ্য ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব আমেরিকা থেকে বায়োমেডিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে অধ্যয়ন করছেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে আকিব জাবেদ একাডেমিক সাফল্য, নেতৃত্ব ও বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের জন্য বেশ কিছু পুরস্কার ও সম্মাননা লাভ করেন। এর মধ্যে ‘দ্য এডওয়ার্ড এল. জুনিয়র অ্যান্ড রুথ এস. হেনেসি ডিস্টিংগুইশড স্কলারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ এবং ‘দ্য ভাইস অ্যাডমিরাল লিডারশিপ অ্যাওয়ার্ড’ উল্লেখযোগ্য।
উচ্চশিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত জীবনে তিনি ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে চলেছেন। গবেষণার সঙ্গে যুক্ত থাকার পাশাপাশি এবার অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসে নন-ডেস্ট্রাকটিভ টেস্টিং প্রকৌশলী হিসেবে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি অঙ্গনে নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি রুয়েটের শিক্ষার্থীদের বৈশ্বিক অঙ্গনে দক্ষতার সঙ্গে এগিয়ে চলার বিষয়টিও তুলে ধরে।
রুয়েটের ম্যাটেরিয়ালস সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ থেকে অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেসের মতো বৈশ্বিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে আকিবের যোগদান বিভাগের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তিনি এ বিভাগের প্রথম অ্যালামনাই হিসেবে এফএএএনজি-ভুক্ত কোনো প্রতিষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন বলে রুয়েট-সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হিসেবে তার অন্যতম অর্জন বলেও তারা অভিমত প্রকাশ করেছেন।
আকিব জাবেদের পথচলায় রয়েছে রুয়েট থেকে প্রকৌশল শিক্ষা, যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষা, একাডেমিক স্বীকৃতি, গবেষণা এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানে পেশাগত সাফল্যের সমন্বয়। তার এই অর্জন রুয়েটের পাশাপাশি বাংলাদেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কর্মক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা তুলে ধরার ক্ষেত্রে তার সাফল্য শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন