প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মহাজাগতিক পূর্ণ সূর্যগ্রহণের পর এখন চলতি মাসেই দেখা মিলতে যাচ্ছে বিরল চন্দ্রগ্রহণ। চাঁদের মোট আয়তনের ৯৬ শতাংশ পৃথিবীর ছায়ায় ঢেকে যাবে। চলতি মাসের শেষের দিকে এই মহাজাগতিক বিরল ঘটনার অবতারণা হতে যাচ্ছে।
জ্যোতির্বিজ্ঞান বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘স্কাই অ্যান্ড টেলিস্কোপ’ জানাচ্ছে, আগামী ২৭ ও ২৮ আগস্ট (বৃহস্পতিবার রাতে) আকাশে দেখা মিলবে একটি অনন্য আংশিক চন্দ্রগ্রহণের।
যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই ও আলাস্কার কিছু অংশ ছাড়া পুরো উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ থেকে দর্শকরা এই চন্দ্রগ্রহণ প্রত্যক্ষ করতে পারবেন। এছাড়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ থেকেও ২৮ আগস্ট ভোরের দিকে এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে।
মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে, গ্রহণের সর্বোচ্চ মুহূর্তে চাঁদের প্রায় ৯৬ শতাংশ অংশ পৃথিবীর গাঢ় কেন্দ্রীয় ছায়া বা ‘আমব্রা’র গভীরে চলে যাবে। ফলস্বরূপ, চাঁদ পুরোপুরি ঢেকে না গেলেও এক জ্বলন্ত সূর্যাস্তের মতো রক্তিম ও কমলা রঙের আভায় জ্বলজ্বল করে উঠবে, যা দেখতে অনেকটা ‘ব্লাড মুন’-এর মতো।
চন্দ্রপৃষ্ঠের বাকি অংশ পৃথিবীর বাইরের হালকা ছায়া বা ‘পেনামব্রা’ এর মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় চাঁদের উত্তর প্রান্তে রূপালি আলো বিচ্ছুরিত হবে। আন্তর্জাতিক সময় অনুযায়ী ২৮ আগস্ট রাত ১২টা ১৩ মিনিটে (ইডিটি) চন্দ্রগ্রহণটি তার সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছাবে।
চন্দ্রগ্রহণের সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল পেরিয়ে আসা আলো প্রতিসরিত হয়ে চাঁদের বুকে পড়ার কারণে তৈরি হওয়া এই লালচে রূপ অতীতে মানুষকে ভীত করলেও বর্তমানে এটি একটি চমৎকার দৃশ্য হিসেবে রয়েছে।
বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, গ্রহণের সর্বোচ্চ মুহূর্তে চাঁদের অধিকাংশ অংশ অন্ধকারাচ্ছন্ন হয়ে থাকায় রাতের আকাশে নক্ষত্ররাজি ও মিল্কিওয়ে নতুন করে তাদের পূর্ণ রূপ নিয়ে ফুটে উঠবে। আমেরিকা মহাদেশের বাসিন্দাদের জন্য ২০২৯ সালের ২৬ জুনের পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণের আগে এটি হবে অন্যতম গভীরতম চন্দ্রগ্রহণ দেখার সুযোগ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন