প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
তুরাগে উদ্ধার নিহত সুমনের ফেইসবুকে পোস্টে মিছিলে অংশ নেয়ার ছবি
সম্প্রতি তুরাগ নদের আশুলিয়া ঘাটে কার্যক্রম নিষিদ্ধ হওয়া অবস্থায় আওয়ামী লীগের সাতজন নেতা-কর্মী গ্রেফতার হওয়ার সময় ধাওয়া খেয়ে নদীতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ এবং পরে ওই নদীতে একাধিক মরদেহ উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের গুজব, সন্দেহ এবং সমালোচনা ঘনীভূত হয়েছে।
২২শে জুনে ৬০-৬৫ জন নেতা-কর্মী দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে মিছিল করতে তুরাগ নদে ট্রলার নিয়ে আশুলিয়া ঘাটে যান, কিন্তু সেখানে গ্রেফতার হন। তারা হামলা ও ধাওয়ার শিকার হয়ে পানিতে ডুবে সাতজন নিখোঁজ হওয়ার অভিযোগ করেছেন আওয়ামী লীগ কর্মীরা। এরপর থেকে তুরাগ নদ থেকে চারদিনের মধ্যে তিনটি মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি হয়েছে।
আশুলিয়ায় কী ঘটেছিল, এ বিষয়ে যথাযথ ধারণা পেতে বিবিসি বাংলার পক্ষ থেকে প্রত্যক্ষদর্শী, পুলিশ, নিহতের পরিবারের সদস্য এবং মিছিলে অংশগ্রহণকারী একজন আওয়ামী লীগ কর্মীর সাথে কথা বলা হয়েছে।
আশুলিয়া পুলিশ বলছে, সাতজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনাস্থল থেকে তুরাগ নদে পড়ে নিখোঁজ হওয়া এবং মৃত্যুর অভিযোগ ভিত্তিহীন।
কিন্তু ওই ঘটনার পর তুরাগের বিভিন্ন স্থানে চারটি লাশ উদ্ধারের ঘটনায় তাদের পরিচয় নিয়ে জোরালো আগ্রহ সৃষ্টি হয়। ২২শে জুনের পর তুরাগ নদে যাদের মরদেহ উদ্ধার হয়, তাদের অন্তত দুজন সে দিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ কর্মীরা।
তুরাগে মিছিলে অংশ নেওয়া একজন আওয়ামী লীগ কর্মী বিবিসি বাংলার কাছে দাবি করেছেন, তুরাগে উদ্ধার হওয়া তিনজনের মধ্যে আরিফ এবং সুমন ২২শে জুনের মিছিলে অংশ নেওয়ার পর তুরাগে নিখোঁজ হয়েছিলেন। তিনি দাবি করেন, সুমন যুবলীগের সদস্য এবং আরিফ ছাত্রলীগের সাথী ছিলেন।
আশুলিয়ায় গ্রেফতার হওয়া কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করা ওই আওয়ামী লীগ কর্মী নিরাপত্তার কারণে নিজের নাম পরিচয় প্রকাশ করতে চাননি। ঘটনাস্থল থেকে তিনি নিজেই পানিতে লাফিয়ে আত্মগোপন করেছেন এবং এখনো পালিয়ে আছেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন