প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় একটি যাত্রীবাহী বাস ও প্রাইভেটকারের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে চারজন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে প্রাইভেটকারের চালকও রয়েছেন। এই ঘটনায় আরও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুর ২টা ৩৮ মিনিটে গজারিয়া ফায়ার স্টেশনে খবর আসে যে জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি প্রাইভেটকারের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষ ঘটেছে। খবর পাওয়ার পর গজারিয়া ফায়ার স্টেশনের দুটি উদ্ধারকারী ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধারকাজ শুরু করে।
দুর্ঘটনার ফলে প্রাইভেটকারের চালক ঘটনাস্থলেই মারা যান। তাকে উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। আহতদের হাসপাতালে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক আরও তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন। অপর আহত ব্যক্তিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
নিহতদের মধ্যে রয়েছেন—মজিবুর রহমান (৫৫), মোছা. শামীমা আক্তার (৪৫), সাবিহা চৌধুরী (৪৩) এবং প্রাইভেটকারের চালক সোহেল। জানা গেছে, চালক সোহেল ঢাকার গেন্ডারিয়া এলাকার বাসিন্দা।
এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপসহকারী পরিচালক মুহাম্মদ সফিকুল ইসলাম বলেন, নিউ বলেশ্বর নামের যাত্রীবাহী বাসটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। অন্যদিকে, প্রাইভেটকারটি মায়ামি রেস্টুরেন্ট থেকে খাওয়া-দাওয়া শেষে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। জামালদি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় দুই যানবাহনের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট পাঁচজন ছিলেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করে। দুর্ঘটনার কারণ ও বিস্তারিত পরিস্থিতি তদন্ত করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন