প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে চিকিৎসাসেবায় সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। বিদ্যুৎ চলে গেলে হাসপাতালের বিভিন্ন কক্ষ অন্ধকার হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে জরুরি চিকিৎসাসেবা দিতে থাকা চিকিৎসকদের মোবাইল ফোনের ফ্ল্যাশলাইট ব্যবহার করতে হচ্ছে রোগী দেখার জন্য।
৫০ শয্যাবিশিষ্ট এই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাদের স্বজনরা জানাচ্ছেন, দিনে ও রাতে প্রায়ই বিদ্যুৎ চলে যায়। এর ফলে জরুরি বিভাগের রোগীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ না থাকায় অন্ধকারের মধ্যে রোগী দেখাসহ অন্যান্য কাজ করতে চিকিৎসকদেরও সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।
হাসপাতালে ভর্তি থাকা রোগী ও তাদের স্বজনরা অভিযোগ করছেন, বিদ্যুৎ সমস্যার কারণে চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকলে রোগীদের অন্ধকারে থাকতে হয়। অথচ জরুরি মুহূর্তে হাসপাতালের বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সক্রিয় থাকার কথা।
চিকিৎসা নিতে আসা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, "এই হাসপাতালে বিদ্যুৎ একটা বড় সমস্যা। জেনারেটর নেই। এখন আবার ভয়াবহ লোডশেডিং হচ্ছে। বাধ্য হয়ে এখানে আসতে হয়। কিন্তু এসব বিষয়ে কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না।"
মঠবাড়িয়া পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের (ডিজিএম) আমিনুল ইসলাম সুমন জানিয়েছেন, চাহিদার তুলনায় বিদ্যুতের বরাদ্দ কম থাকায় লোডশেডিং হচ্ছে। তিনি বলেন, "প্রয়োজন অনুযায়ী বরাদ্দ পাওয়া গেলে এ সমস্যার সমাধান হবে।"
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডা. সৌমিত্র সিনহা রায় জানান, জরুরি বিভাগের জন্য যে জেনারেটরটি ছিল, সেটি নষ্ট হয়ে আছে। ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে চিকিৎসাসেবা দিতে সমস্যা হচ্ছে।
চিকিৎসাসেবার মতো জরুরি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি বিকল্প বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল করার দাবি জানিয়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন