প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানীর পল্টন থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বিএনপির কর্মী মুশফিকুর রহমান আবিরের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে মৌলভীবাজার-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সুলতান মোহাম্মদ মনসুর আহমেদকে গ্রেপ্তার করেছে আদালত।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) পুলিশের আবেদনের ভিত্তিতে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. আবু সালেহ আসামিকে আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী সুলতান মোহাম্মদ মনসুরকে গ্রেপ্তার না করার জন্য আবেদন করেন। অপরদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশিদ আসামিকে গ্রেপ্তার করার পক্ষে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ৪ ডিসেম্বর রাজধানীর কলাবাগান এলাকার লেক সার্কাসের ১ নম্বর সড়কের মাথা থেকে বাদী মুশফিকুর রহমানকে কয়েকজন ব্যক্তি গাড়িতে তুলে নিয়ে মারধর করেন, যার ফলে তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে হাজারীবাগের একটি ট্যানারির গুদামে আটক করে মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং পরিচিত ব্যক্তিদের ফোন নম্বর দিতে চাপ দেওয়া হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাদীর কাছে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। পরবর্তীতে তার পরিবারের কাছ থেকে পাঁচ লাখ টাকা নেওয়ার পর ৫ ডিসেম্বর সকালে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়, ২০২২ সালের ১০ ডিসেম্বর বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় হামলা, গুলিবর্ষণ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জের অভিযোগও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব ঘটনায় তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের ইন্ধন ও নির্দেশনার অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় শেখ হাসিনাসহ একাধিক ব্যক্তিকে আসামি করে ভুক্তভোগী মুশফিকুর রহমান আবির বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। ঘটনার সময় হাজারীবাগ থানায় মামলা দায়েরের চেষ্টা করা হলেও পুলিশ তখন মামলা গ্রহণ করেনি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০২৫ সালের ১২ সেপ্টেম্বর পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন