প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
কূটনৈতিক মহলে বর্তমানে সরকারের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের সম্ভাবনা। ভারত প্রধানমন্ত্রী তাকে দিল্লিতে নিয়ে আসার জন্য ব্যাপক কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, আগামী ২৩ থেকে ২৫ আগস্ট তিনি দিল্লিতে সফর করতে পারেন।
ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স জানাচ্ছে, এই সফরের বিষয়ে বাংলাদেশ এখনো পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর বরাত দিয়ে বার্তাসংস্থাটি এ তথ্য জানায়।
মূলত, ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতনের পর বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়েছে। বিগত ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে বলে আশা তৈরি হয়। এই পূর্বাভাসের অংশ হিসেবে দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর নিয়ে কয়েক সপ্তাহ ধরে আলোচনা চলছিল।
২০২৪ সালের আগস্টে অভ্যুত্থানের মুখে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন এবং এখনও সেখানে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন। ঢাকা বারবার দিল্লিকে অনুরোধ করেছে, যেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা হয়। তবে ভারত জানিয়েছে, তারা এই অনুরোধটি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করছে।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী রয়টার্সকে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফরের বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। শেখ হাসিনা ও "অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের" প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রয়েছে বাংলাদেশ।
এদিকে নিয়মিত এক সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাংবাদিকদের জানান, সম্ভাব্য এ সফর নিয়ে তাদের কোনও মন্তব্য নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন