প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজধানী ঢাকায় গত দুইদিন ধরে একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটছে। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এই ভীতিজনক কর্মকাণ্ডের জন্য নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্ত আওয়ামী লীগকে দায়ী করেছে।
ডিএমপির ওয়ারী বিভাগের ডিসি মোল্লা মো. শাহীন জানিয়েছেন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের নির্দেশে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হচ্ছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন।
মোল্লা মো. শাহীন বলেন, গত বৃহস্পতিবার যাত্রাবাড়ী থানার সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় বংশাল ইউনিট আওয়ামী লীগের এক কর্মী রায়হানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ এ বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার হওয়া রায়হানের বাসা থেকে অবিস্ফোরিত চারটি ককটেল উদ্ধার করা হয়েছে। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ইতোমধ্যে আরও তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে গত দুইদিন ধরে ককটেল বিস্ফোরণের পাশাপাশি গণপরিবহনে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটছে। এসব ঘটনায় আওয়ামী লীগের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডিসি মোল্লা মো. শাহীন।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জুমার পর থেকে রাত পর্যন্ত রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মগবাজার ও আগারগাঁওসহ বিভিন্ন স্থানে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। একই দিন রাতে দুর্বৃত্তরা মিরপুরের কাফরুল এলাকায় যাত্রীবাহী বাসে আগুন দেয়। এই ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর হয়ে ওঠে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়। ঢাকাজুড়ে দুইশ’র বেশি স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয় এবং পুলিশের টহল বাড়ানো হয়।
এরপরও শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যার পর থেকে একের পর এক নাশকতামূলক ঘটনা ঘটে। ওই দিন সন্ধ্যার পর থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত মিরপুরসহ অন্তত ৫টি এলাকায় যাত্রীবাহী বাস ও গণপরিবহনে আগুন লাগার খবর পাওয়া যায়। এছাড়া, একাধিক এলাকায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন