প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
নেপালে গত সপ্তাহে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ ভূমিধস ও আকস্মিক বন্যার কারণে মৃতের সংখ্যা ১ হাজারের বেশি হয়ে গেছে। মঙ্গলবার কর্তৃপক্ষের উদ্ধৃতি দিয়ে এই তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। খবর সিএনএনের।
২৬ আগস্ট হিমালয়ে হিমবাহ ধসে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা নেপাল এবং চীনের তিব্বত অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করেছে। পানির প্রবল স্রোত এবং ভূমিধসের ফলে ঘরবাড়ি, সড়ক, সেতু ও বিভিন্ন অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে যায়। এই ঘটনায় বহু মানুষ তাৎক্ষণিকভাবে আটকে পড়েন।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, নেপালে ৯৮৭ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, চীনের তিব্বত অঞ্চলে ১৬ জন নিহত হয়েছেন। দুই দেশের মিলিত মৃতের সংখ্যা অন্তত ১ হাজার ৩ জনে পৌঁছেছে। এ পর্যন্ত নেপালে অন্তত ১১ হাজার ৮১৪ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ৪ হাজার ৪০০ জনের বেশি মানুষ নিখোঁজ রয়েছে। নেপালে নিখোঁজের সংখ্যা ৩ হাজার ৯১৬ এবং তিব্বতে ৫৪৬ জন বলে জানা গেছে।
নেপালে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে ত্রিশুলি ও ভোতে কোশি নদী অববাহিকা। ধ্বংস হয়ে যাওয়া সড়ক ও সেতুর কারণে দুর্গম এলাকায় পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে। হেলিকপ্টার ব্যবহার করে বিচ্ছিন্ন এলাকা থেকে উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ৯০০ কর্মীও নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জন সুড়ঙ্গের ভেতরে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
চীনের তিব্বতেও উদ্ধারকাজ অব্যাহত রয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপ, অস্থিতিশীল পাহাড়ি ঢাল, তীব্র স্রোত ও সরু গিরিখাতের কারণে উদ্ধারকারীদের জন্য পরিস্থিতি অত্যন্ত কঠিন হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে উদ্ধার হওয়া ৭২৬টি মরদেহের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
এদিকে, সপ্তাহব্যাপী চলমান উদ্ধার অভিযানের মাঝে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস এবং নতুন ভূমিধসের আশঙ্কায় পরিস্থিতি এখনও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন