প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
অনশন ও রাজপথের উত্তাল প্রতিবাদের মুখে, ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার অবশেষে আন্দোলনকারী তরুণদের দাবিগুলো মেনে নিয়ে একটি নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) অনুরোধের পর, শুক্রবার (২৪ জুলাই) কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াতে উভয় পক্ষ বৈঠকে মিলিত হয়েছে। যদিও সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি, তবে আন্দোলনকারীদের মূল দাবিগুলো পূরণে সরকারের আশ্বাসের পর বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গভীর রাতে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক তাঁর ২৬ দিনের অনশন ভঙ্গ করেন।
স্থানীয় সময় শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে নিরপেক্ষ পরিবেশে বৈঠকটি শুরু হয়। সরকারের নমনীয় মনোভাব এবং নিরপেক্ষ স্থানে আলোচনার প্রস্তাব গ্রহণের সিদ্ধান্তকে সিজেপি স্বাগত জানিয়েছে।
সিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সৌরভ দাস সাংবাদিকদের জানান, ‘একটি আলোচনার জন্য আহ্বান জানানো হয়েছে। আমরা অত্যন্ত আনন্দিত যে, একটি নিরপেক্ষ স্থানে বৈঠক করার অনুরোধে সরকার শেষ পর্যন্ত রাজি হয়েছে এবং আলোচনার জন্য কনস্টিটিউশন ক্লাব অব ইন্ডিয়াকে বেছে নেওয়া হয়েছে। আশা করি সরকার খোলা মনে আলোচনায় আসবে এবং আন্দোলনরত তরুণদের কথা শুনবে।’
এর আগে, সিজেপি সরকারের মন্ত্রী ভবন বা তাদের অফিসে বৈঠকের সকল আমন্ত্রণ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছিল। সরকারের সঙ্গে পরবর্তী আলোচনার জন্য নিরপেক্ষ স্থান নির্ধারণের বিষয়ে তারা অনড় ছিল।
এর আগে ২০ জুলাই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওইদিন সিজেপির দুই শীর্ষ প্রতিনিধি সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা ভারতের কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার বাসভবনে সাক্ষাৎ করতে যান। পরে অভিযোগ ওঠে, বৈঠক চলাকালীন মন্ত্রী ভবন চত্বরে তাদের প্রায় বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ওই অভিজ্ঞতার পর আন্দোলনকারীরা সরকারের যেকোনো দাপ্তরিক ভবনের পরিবর্তে নিরপেক্ষ স্থানকে প্রধান শর্ত হিসেবে সামনে আনেন।
এদিকে, সিজেপি আরও জানিয়েছে, দেশের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করা পর্যন্ত রাজধানী দিল্লির যন্তর মন্তরে তাদের গণপ্রতিবাদ কর্মসূচি থামবে না।
শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পাশাপাশি তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় অনিয়মের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা, গোটা শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার, নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের কারণে আত্মহত্যা করা শিক্ষার্থীদের পরিবারকে ১ কোটি রুপি করে ক্ষতিপূরণ প্রদান এবং আন্দোলনের কারণে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে দাবির সব মামলা প্রত্যাহার করা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন