প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লেবাননের সেনাবাহিনী মঙ্গলবার ঘোষণা করেছে, তারা হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার লক্ষ্যে ইসরাইলের সঙ্গে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত তিনটি ‘পাইলট জোন’-এর একটিতে সেনা মোতায়েন শুরু করেছে।
এ সিদ্ধান্ত গ্রহণের এই সময়, লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন।
ইসরায়েলের সঙ্গে চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্র মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করেছে।
বৈরুত থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এই খবরটি জানিয়েছে।
ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধের সময়, লেবাননে অভিযান চালিয়েছে ইসরাইল। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, এখনও দেশের কিছু এলাকা ইসরাইলের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত ইসরাইলি বাহিনী তথাকথিত তিনটি পাইলট জোনের মধ্যে শুধুমাত্র একটির উপকণ্ঠ নিয়ন্ত্রণ করছে। অন্যান্য দখলকৃত এলাকা নিয়ে এখনও কোনো সমাধান হয়নি।
বাকি দুটি পাইলট জোনে পূর্ব থেকেই লেবাননের সেনাবাহিনীর উপস্থিতি রয়েছে।
সেনাবাহিনী একটি বিবৃতিতে জানায়, ‘আজ সকালে নাবাতিয়েহ অঞ্চলের জাওতার আল-গারবিয়া এলাকায় সেনা ইউনিট মোতায়েন শুরু হয়েছে।’
লেবাননের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, লেবাননের পতাকা বহনকারী কয়েকটি সামরিক যান ইসরাইলের ভাষায় ‘নিরাপত্তা অঞ্চলের’ সীমানায় অবস্থিত গ্রামে প্রবেশ করছে।
হিজবুল্লাহ, ইরানের সমর্থনে মার্চ মাসে ইসরাইলের দিকে রকেট হামলা চালানোর মাধ্যমে লেবাননকে বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলে। এর পরই ইসরাইল লেবাননে অভিযান শুরু করে।
গত মাসে লেবানন ও ইসরাইল একটি কাঠামোগত চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে। চুক্তির লক্ষ্য হলো ধাপে ধাপে লেবানন থেকে ইসরাইলি বাহিনীর প্রত্যাহার, হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করা এবং দক্ষিণাঞ্চলের নিরাপত্তার দায়িত্ব লেবাননের সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা।
হিজবুল্লাহ বারবার এ চুক্তি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং নিরস্ত্র হতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
অন্যদিকে, ইসরাইলের পুরো সেনা প্রত্যাহারের সময়সূচি এখনো নির্ধারণ করা হয়নি।
ইসরাইলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, তারা ‘পাইলট এলাকাগুলোর একটিতে’ নিজেদের বাহিনীর অবস্থান পুনর্বিন্যাস করবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন