প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের মধ্যে নতুন করে চলছে পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনায় পারস্য উপসাগরে প্রায় ৬,০০০ নাবিক আটকা পড়েছেন। এই পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থার (আইএমও) প্রধান বুধবার (৮ জুলাই) সর্বোচ্চ সংযমের এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন।
আইএমও মহাসচিব আর্সেনিও ডোমিঙ্গেজ এক বিবৃতিতে মন্তব্য করেছেন, ‘এই হামলাগুলো জাহাজগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছে, যেগুলো পারস্য উপসাগর থেকে নিরাপদে চলাচল করতে পারছে না। এই আটকা পড়া প্রায় ৬,০০০ নাবিকের ভয়, অনিশ্চয়তা এবং মানসিক চাপকে আরও তীব্র করে তুলেছে।’
মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীতে বিভিন্ন জাহাজের ওপর ইরানি হামলার পর সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বুধবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধবিরতি শেষ হয়ে গেছে, তবে তিনি আরও আলোচনার পথ খোলা রেখেছেন। এরপরই যুক্তরাষ্ট্র ইরানে হামলা চালায়। এর পর ইরান পাল্টা হামলা চালানোর পর আবারও সংঘাত শুরু হয়।
এই কৌশলগত নৌপথটি সংঘাতের একটি কেন্দ্রবিন্দু হয়ে ওঠে, যা ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের ব্যাপক হামলার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
এদিকে, তেহরান এই জলপথের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার দাবিতে অটল রয়েছে এবং ঘোষণা করেছে যে তারা যাতায়াতের জন্য মাশুল ধার্য করবে এবং অনুমোদিত পথ থেকে বিচ্যুত হওয়া জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে হামলার হুমকি দিয়েছে।
ডোমিঙ্গেজ আবারও বলেন, ‘আমি হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী বেশ কয়েকটি জাহাজের ওপর গত দুই দিনের হামলার নিন্দা জানাই।’
তিনি আরও জানিয়েছেন, ‘নিরীহ নাবিকেরা মারাত্মক বিপদের’ মধ্যে রয়েছেন।
তিনি সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে আহ্বান জানান, সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন করতে, অবিলম্বে পরিস্থিতি শান্ত করতে এবং সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে উপসাগরে এখনো আটকে থাকা জাহাজগুলোর নিরাপদ প্রস্থানের ব্যবস্থা করতে।
সূত্র: এনডিটিভি
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন