প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ইন্দোনেশিয়ার আনাক কারাকাতোয়া আগ্নেয়গিরির ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের কারণে তৈরি হওয়া ছাই ও ধোঁয়ার জন্য দেশের প্রধান সোয়েকার্নো-হাত্তা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
কর্তৃপক্ষ রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, যার ফলস্বরূপ বিমানবন্দরে সকল ধরনের বিমান চলাচল সম্পূর্ণরূপে স্থগিত হয়েছে। এই কারণে হাজার হাজার যাত্রী চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও সংবাদ সূত্র অনুযায়ী, সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত পাহাড় আকৃতির আনাক কারাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে নির্গত বিষাক্ত ধোঁয়ার মেঘ বায়ুমণ্ডলে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দূরের বিমানবন্দরটির আকাশসীমায় পৌঁছে যায়। নিরাপত্তার কারণে আজ রাত ১টা ৩০ মিনিট থেকে পুরো বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।
এর আগে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) প্রবল বিস্ফোরণের বিকট শব্দ শোনা যায়, যা উৎসস্থল থেকে ৭০০ কিলোমিটার দূরত্ব থেকেও স্পষ্ট ছিল। ওই শক্তিশালী বিস্ফোরণের পরপরই পাহাড়ের ঢাল বেয়ে লাল লাভা গড়িয়ে পড়তে শুরু করে। রোববার সকালে সেখানে আরও দুটি নতুন বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়।
বিমানবন্দর হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত অন্তত ২০৯টি আন্তর্জাতিক ও অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট বাতিল করেছে। হঠাৎ সূচি বিপর্যয়ের কারণে বিমানবন্দরে আটকা পড়েছেন প্রায় ২০ হাজার যাত্রী। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে সিঙ্গাপুরের সঙ্গে পরিচালিত ফ্লাইটগুলোতে। এছাড়াও কুয়ালালামপুর, দোহা এবং সিডনিগামী একাধিক ফ্লাইট মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
জাভা ও সুমাত্রার মধ্যবর্তী সুন্দা প্রণালিতে অবস্থিত এই আনাক কারাকাতোয়া অত্যন্ত সক্রিয় একটি আগ্নেয়গিরি। অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সামুদ্রিক প্রণালিতে পানির দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ার কারণে শুধু আকাশপথ নয়, জলপথে জাহাজ চলাচলেও তীব্র ঝুঁকি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা জারি করেছে উদ্ধারকারী ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন