প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লাইনে গ্যাসের চাপ না থাকার কারণে একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে রাজধানীর সিএনজি স্টেশনগুলো। যেগুলো চালু আছে, সেখানেও ভোগান্তি অত্যাধিক চরমে রয়েছে।
চালকরা বলছেন, চাপ কম থাকার অজুহাতে দাম বাড়ানোর পায়তারা করছে একটি মহল। অপরদিকে, সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ বলছে যে, গ্যাসের চাপ দিন দিন আরও কমছে।
সকাল থেকে বন্ধ সিএনজি স্টেশন। অথচ, গাড়ি নিয়ে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন গ্রাহকরা। কখন গ্যাস পাওয়া যাবে, তার সঠিক নির্ধারণ নেই, তবুও গ্রাহকরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় রয়েছেন।
কিছু গ্রাহক বলেন, তারা চার-পাঁচ ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেক সময় গ্যাস পান না।
সিএনজি স্টেশন কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, লাইনে গ্যাসের চাপ আরও কমেছে, তাই গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না।
ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা জানান, লাইনে চাপ নেই। আমাদের স্টেশন বর্তমানে বন্ধ আছে। গ্যাসের চাপ যতদিন না আসে, ততদিন ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে।
এদিকে, যে স্টেশনগুলো এখনও খোলা আছে, সেগুলোতে ভোগান্তি আরও বাড়ছে। গাড়ির চাপ বাড়ায় ৫ থেকে ৬ ঘণ্টার আগে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। চালকরা বলছেন, এগুলো দাম বাড়ানোর অজুহাত মাত্র।
এক সিএনজি চালক বলেন, গ্যাসের দাম বাড়বে শুনছি। দাম বাড়ালেও, তারপরও আমাদের ভোগান্তি কমবে না।
এক প্রাইভেট চালক বলেন, এক চাপে ৫০০-৬০০ টাকার গ্যাস পেতাম। এখন সর্বোচ্চ ২০০ টাকার গ্যাস পাই।
তবে, এখনও চালু থাকা সিএনজি স্টেশনগুলোও যেকোনো মুহুর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
এক ফিলিং স্টেশন মালিক জানান, পেছনের অনেক স্টেশন বন্ধ হওয়ার কারণে যেকোনো সময় আমাদের স্টেশনটাও বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
লাইনে গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায়, তেজগাঁও, মিরপুর ১০সহ বেশ কিছু এলাকার সিএনজি স্টেশনগুলো এরইমধ্যে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন