প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে ১২ বছর বন্ধ থাকার পর মিসর আবারও দূতাবাসের কার্যক্রম শুরু করেছে। কায়রো শনিবার (৭ নভেম্বর) দূতাবাস পুনরায় চালুর ঘোষণা দেয়। এই পদক্ষেপের মাধ্যমে লিবিয়ার পশ্চিমাঞ্চলভিত্তিক প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে জানা যায়, মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি বিবৃতিতে দূতাবাস পুনরায় চালুর বিষয়টি জানানো হয়েছে। দূতাবাস চালুর এই ঘটনাকে লিবিয়াবিষয়ক মিসরের নীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। কারণ, কায়রো দীর্ঘদিন ধরে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলভিত্তিক সামরিক কমান্ডার খলিফা হাফতারের অন্যতম প্রধান সমর্থক ছিল।
হাফতার ত্রিপোলিভিত্তিক সরকারের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে পরিচিত। ২০১৪ সালে লিবিয়ায় সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করার পর মিসর ত্রিপোলিতে তার দূতাবাস বন্ধ করে দেয়। সেই সময় দেশটির রাজধানী ও পূর্বাঞ্চলে প্রতিদ্বন্দ্বী দুটি প্রশাসন নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করায় বেশ কয়েকটি বিদেশি কূটনৈতিক মিশন কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়।
দূতাবাস পুনরায় চালুর অনুষ্ঠানে মিসরের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাত্তি উপস্থিত ছিলেন। তাঁর বক্তব্য উদ্ধৃত করে মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, দূতাবাস ভবনটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব মিসর ও লিবিয়ার মধ্যে গভীর মানবিক ও সাংস্কৃতিক সম্পর্কের প্রতিফলন।
২০১১ সালে ন্যাটো-সমর্থিত অভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের শাসক মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকে লিবিয়ায় রাজনৈতিক অস্থিরতা ও সংঘাত চলছে। এরপর থেকে দেশটিতে একাধিকবার ক্ষমতার দ্বন্দ্ব ও সশস্ত্র সংঘাত দেখা দিয়েছে।
বর্তমানে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় বেনগাজিতে খলিফা হাফতারের নেতৃত্বাধীন লিবিয়ান ন্যাশনাল আর্মি, পার্লামেন্ট হিসেবে পরিচিত হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এবং ওসামা হাম্মাদের নেতৃত্বাধীন সরকার রয়েছে।
অন্যদিকে, পশ্চিমাঞ্চলের রাজধানী ত্রিপোলিতে প্রধানমন্ত্রী আবদুল হামিদ দবেইবার নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত জাতীয় ঐক্যের সরকার (জিএনইউ) এবং হাই কাউন্সিল অব স্টেট কার্যক্রম পরিচালনা করছে। দুই প্রশাসনের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক ও সামরিক বিরোধ চলমান রয়েছে। তথ্যসূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন