প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম জানিয়েছেন, দেশের ১৩টি সিটি করপোরেশনে সোমবার থেকে শুরু হতে যাচ্ছে ই-রিকশার নিবন্ধন কার্যক্রম। নিবন্ধন প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে। তবে বর্তমানে চলমান রিকশা মালিকদের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। বৈধ এবং অবৈধ রিকশাগুলো আপাতত চলতে থাকবে।
রোববার (০১ নভেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সিটি করপোরেশন এলাকায় স্বল্প গতির ব্যাটারিচালিত ই-রিকশার চলাচলের জন্য সরকার বিধিমালা প্রণয়ন করেছে। একটি জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে যে কোনো এক বা একাধিক সিটি থেকে পাঁচটি ই-রিকশার নিবন্ধন করা যাবে।
নিবন্ধন ছাড়া কোনো ই-রিকশা চলাচল করতে পারবে না। প্রতিটির স্পিডোমিটার স্থাপন করা বাধ্যতামূলক। অনুমোদিত গতিসীমা ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটারের বেশি হবে না বলেও তিনি জানান।
শাহে আলম বলেন, স্কুল, হাসপাতাল, ধর্মীয় উপাসনালয় ও জনবহুল স্থানে সর্বোচ্চ গতিসীমা হবে প্রতি ঘণ্টায় ১৫ কিলোমিটার। প্রতিটি ই-রিকশার ইকোনোমিক লাইফ টাইম নিবন্ধনের তারিখ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত হবে। সোমবার থেকে ১৩টি সিটি এলাকায় নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হবে এবং এটি ধাপে ধাপে চলতে থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বর্তমানে চলমান রিকশাগুলোকে এখনই বন্ধ করা হবে না। তবে ই-রিকশার ব্যাটারি চার্জিং স্টেশন থেকেই চার্জ করতে হবে। অবৈধভাবে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে চার্জ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া, পরিবেশ অধিদফতরের ছাড়পত্র ছাড়া ই-রিকশার ব্যাটারি ভাঙা যাবে না বলেও তিনি জানান।
স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই জন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ৮০০০ টাকা এবং নবায়ন ফি ৪০০০ টাকা। চারজন যাত্রী ধারণক্ষমতা সম্পন্ন ই-রিকশার এককালীন নিবন্ধন ফি ১০,০০০ টাকা এবং বাৎসরিক নবায়ন ফি ৫০০০ টাকা। ই-রিকশার চলাচল নিয়ন্ত্রণে জোনভিত্তিক চলাচল, রুট নির্ধারণ এবং ই-রিকশার নির্দিষ্ট রং চূড়ান্ত করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন