প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানিয়েছেন, সরকারের তরফ থেকে কৃষির আধুনিকীকরণ এবং যান্ত্রিক বিপ্লবে সর্বোচ্চ গুরুত্ব প্রদান করা হয়েছে।
আজ বুধবার রাতে নেত্রকোণার কলমাকান্দা উপজেলার লেংগুরায় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি)-এর উদ্যোগে যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধানের চারা রোপণ ও বৃক্ষরোপণের অনুষ্ঠান ছিল, যেখানে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন।
অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন এলএসটিডি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. রফিকুল ইসলামও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
ডেপুটি স্পিকার জানিয়েছেন, শিক্ষিত যুবসমাজকে কৃষিতে আকৃষ্ট করার বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, আমাদের দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ লোক কৃষির সঙ্গে জড়িত। ‘ভাতে মাছে বাঙালি’ প্রবাদটির অস্তিত্ব বজায় রাখতে হলে ধানের ফলন বৃদ্ধির বিকল্প কিছুই নেই।
তিনি বলেন, বর্তমানে শিক্ষিত যুবসমাজ কৃষিকাজ থেকে আগ্রহ হারাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কৃষির যান্ত্রিকীকরণ এবং আধুনিকীকরণের ওপর সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়েছেন, যাতে আধুনিক প্যান্ট-শার্ট পরা তরুণদের কৃষিতে আকৃষ্ট করা যায়।
রাইস ট্রান্সপ্লান্টার যন্ত্রের প্রশংসা করে ডেপুটি স্পিকার জানান, যন্ত্রটি ৪০ সেকেন্ডে চার সারি চারা রোপণের কাজ সম্পন্ন করছে, যা একটি নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখেই হচ্ছে। তিনি বলেন, এটি ফলনের বৃদ্ধিতে ম্যাজিকের মতো কার্যকর হবে।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল জানান, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান কৃষি বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা বিদেশ থেকে চাল আমদানি নয়, বরং ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড এবং মালয়েশিয়ার মতো দেশগুলোতে চাল রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে চাই।
ডেপুটি স্পিকার কৃষক কার্ড বিতরণের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে সতর্কতা প্রদান করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। ‘ফ্যামিলি কার্ড’ এবং ‘কৃষক কার্ড’ প্রকৃত ভূমিহীন, হতদরিদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের জন্য। কোন অবস্থাতেই সচ্ছলদের কিংবা কর্মকর্তাদের আত্মীয়দের নামে এসব কার্ড ইস্যু করা হবে না।
কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা সুরক্ষিতের পরিপ্রেক্ষিতে, সরকারের ‘পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ’ কর্মসূচির আওতায় অনুষ্ঠান শেষে লেংগুরা এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তিনশো শিক্ষার্থীর মাঝে নিম, পেয়ারা এবং মেহগনি গাছের চারা বিতরণ করা হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার নিজে লেংগুরা স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রাঙ্গণে গাছের চারা রোপণের কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন