প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দেশে হামের প্রকোপ এখনো উদ্বেগজনক অবস্থানে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু ঘটেছে। তবে এ সময় নিশ্চিত হামে নতুন কোনো মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৩১ শিশু। সব মিলিয়ে প্রাণহানির সংখ্যা পর্যন্ত দাঁড়িয়েছে ৭২৪ জনে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলবেলা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কেউ প্রাণ হারায়নি, তবে হামের উপসর্গ নিয়ে পাঁচ শিশুর মৃ-ত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ১৫৪ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে। একই সময়ে আরও ৯৬৫ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়েছে ১২ হাজার ২৮৬ জন। আর সন্দেহভাজন বা উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ২ হাজার ৯৯৩ জনে পৌঁছেছে।
একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৬ হাজার ৪১১ জন। এর মধ্যে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছে ৮২ হাজার ৭৫৯ জন।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া পাঁচ শিশুর মধ্যে তিনজন ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা ছিলেন। বাকি দুজন একজন সিলেট বিভাগের এবং অন্যজন বরিশাল বিভাগের বাসিন্দা।
বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, নিশ্চিত হামে সবচেয়ে বেশি ৫৭ জনের মৃত্যু ঘটেছে ঢাকা বিভাগে। এরপর বরিশালে ১৯ জন, চট্টগ্রামে ১০ জন, সিলেটে ৩ জন এবং ময়মনসিংহ ও রাজশাহী বিভাগে ২ জন করে মারা গেছেন।
অন্যদিকে, হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে, যেখানে ২৭২ জন মারা গেছেন। এরপর রাজশাহীতে ৮৮ জন, সিলেটে ৮২ জন, ময়মনসিংহে ৬২ জন, চট্টগ্রামে ৫১ জন, বরিশালে ৪০ জন, খুলনায় ২৮ জন এবং রংপুরে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, নতুন করে নিশ্চিত হামে মৃত্যুর ঘটনা না ঘটলেও আক্রান্ত ও উপসর্গযুক্ত রোগীর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি এখনো নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন