প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
দল থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার দুই মাস পরেও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য (এমপি) হিসেবে নিজেকে পরিচয় দিচ্ছেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী মো. নজরুল ইসলাম। অন্যদিকে, জামায়াতের দায়িত্বশীল নেতাদের বক্তব্য হলো, তিনি বহিষ্কারের পর আর দলের সদস্য নন।
৭৫ বছর বয়সী এই সংসদ সদস্য, যিনি সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে তৃতীয়বার নির্বাচিত হয়েছেন, গণমাধ্যমকে জানান, "আমাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তবে সদস্যপদ আল্লাহর রহমতে এখনো আছে। খাতা-কলমে সব জায়গায় আমি জামায়াতের সদস্য হিসেবেই আছি।" তিনি আরও বলেন, দলের পক্ষ থেকে তার বিষয়ে কী বলা হয়েছে, সে সম্পর্কে তার কোনো ধারণা নেই।
তবে জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতারা গাজী মো. নজরুল ইসলামের বক্তব্যের সম্পূর্ণ বিপরীত মত প্রকাশ করেছেন। জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য এবং সাতক্ষীরা-১ আসনের সংসদ সদস্য মো. ইজ্জতুল্লাহ জানান, "বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই সংসদ সচিবালয় ও নির্বাচন কমিশনে (ইসি) লিখিতভাবে জানানো হয়েছে।"
একইভাবে, দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, "আমরা তাকে দল থেকে বহিষ্কার করার পর স্পিকার ও ইলেকশন কমিশনসহ সংশ্লিষ্ট সব জায়গায় চিঠি পাঠিয়ে দিয়েছি।"
সম্প্রতি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি তরুণীর সঙ্গে গাজী মো. নজরুল ইসলামের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গত ২২ জুলাই নৈতিক স্খলনের অভিযোগে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করে জামায়াতে ইসলামী। পরে তার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনে চিঠি দেওয়া হয়।
দল থেকে বহিষ্কারের পর জাতীয় সংসদে তার সদস্যপদ বহাল থাকবে কিনা, অথবা তিনি স্বতন্ত্র সদস্য হিসেবে গণ্য হবেন কিনা—এটি এখন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। তবে জামায়াতের চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার কিংবা নির্বাচন কমিশন থেকে এখন পর্যন্ত কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন