প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সিরাজগঞ্জের সৈদাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের সাব-লেনটি কোনো কাজে আসছে না। এ সড়কের ধীরগতির যানবাহন চলাচলের সুবিধার্থে ২০ কিলোমিটার সাবলেন নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে তা গবাদিপশু পালন, খড়ের গাদা, কাঠের গুঁড়ি রাখাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহার হচ্ছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, সড়ক ও জনপথ বিভাগের নজরদারির অভাবে সড়কটি বর্তমানে কাজে লাগছে না।
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি ও এনায়েতপুর উপজেলা দুটি বাণিজ্যিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ এলাকা। কেননা এখানকার উৎপাদিত তাঁত পণ্যের সুনাম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রয়েছে। উৎপাদিত এসব তাঁত পণ্য পরিবহনের সুবিধা, জেলা সদরের সাথে যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত করা এবং দুর্ঘটনা কমানোর লক্ষ্য নিয়ে যমুনা সেতুর পশ্চিশ সংযোগ মহাসড়কের সয়দাবাদ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের পাশে ধীরগতির যান চলাচলের জন্য সাব-লেন নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছিল সড়ক ও জনপদ বিভাগ। ২০১৪ সালে প্রায় ৩২ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার ও সাবলেন নির্মাণ করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে রক্ষণাবেক্ষণ ও সংস্কার কাজ না করায় সাবলেনটি কোনো কাজে আসছে না।
বেলকুচির ব্যবসায়ী আলতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদের ব্যবসায়ী কাজে নিয়মিত এই রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে হয়। তবে রাস্তার সাব-লেনটি যা অবস্থায় পড়ে রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে। এতে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। প্রায়ই যানজটে পড়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।’
কলেজ শিক্ষার্থী নুরুল হক জানান, সাব-লেনের কার্পেটিং উঠে গিয়ে নানা স্থানে বড় বড় গর্ত হয়েছে। সেই সাথে সড়কটি বর্তমানে গবাদিপশু পালন, খড়ের গাদা, কাঠের গুঁড়ি রাখাসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে মূল রাস্তা দিয়ে ভারী যানবাহনের সাথে পাল্লা দিয়ে ধীর গতির যানবাহন চলাচল করছে। এতে মাঝে মধ্যেই ছোট বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সমস্যা সমাধানে দ্রুত সাবলেনটির সংস্কার করে যান চলাচলের উপযোগী করার দাবি জানান তিনি।
যাই হোক, সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল জানান, সিরাজগঞ্জ থেকে এনায়েতপুর পর্যন্ত আঞ্চলিক এই সড়কের সাব-লেনটি দীর্ঘকাল অব্যবহৃত অবস্থায় রয়েছে, যা নানা সমস্যা সৃষ্টি করেছে।
অঞ্চলিক এই সড়কটি পাবনা পর্যন্ত মহাসড়কে রূপান্তরের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে এলাকার মানুষের যাতায়াত ব্যবস্থা আরও উন্নত ও সহজ হবে।
সিরাজগঞ্জ বেলকুচি এই আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে বেলকুচি, চৌহালী ও শাহজাদপুর উপজেলার প্রায় ১০ লাখ মানুষের যাতায়াত করে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন