প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছেছেন দেশটির সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি বুধবার (২৮ অক্টোবর) ব্রাজিল ত্যাগ করে মায়ামিতে পৌঁছান।
ফ্লাভিও বলসোনারো অভিযোগ করেছেন যে, দেশটির সুপ্রিম কোর্ট ও প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা তাকে নির্বাচনী অভ্যুত্থানের শিকার করেছেন। তবে নির্বাচনে লুলা ৪০ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে জয়ী হন। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পূর্বে সুপ্রিম কোর্টের পাসপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ মানতে তিনি অস্বীকৃতি জানান।
যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর পর, সেখানে যাওয়ার জন্য আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট হাভিয়ের মিলেইকে ধন্যবাদ জানান ফ্লাভিও। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, যিনি তাকে এবং তার পরিবারের সদস্যদের প্রবেশের ভিসা প্রদান করেছেন এবং স্বাগত জানিয়েছেন।
একই সময়ে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক্সে শেয়ার করা একটি খোলা চিঠিতে বলসোনারো প্রথমে নিজেকে ব্রাজিলের ‘নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট’ হিসেবে ঘোষণা করেন। পরে সেই পোস্ট মুছে দিয়ে সংশোধিত আরেকটি চিঠি প্রকাশ করেন, যেখানে তিনি নিজেকে ব্রাজিলের প্রকৃত নেতা দাবি করেন।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমি শুধু আমার ৬ কোটি ভোটারকেই নয়, ব্রাজিলের জনগণকেও বলতে চাই, আমিই নেতা। আর যারা ব্রাজিলের নির্বাচন চুরি করেছে, সেই অপরাধীরা একটি অপরাধী চক্রের অংশ, যারা দেশে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা করেছে।’
ব্রাজিলের সদ্য সমাপ্ত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে বামপন্থি লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা জয়ী হয়েছেন। গত রোববার দ্বিতীয় দফার ভোটে নাটকীয় জয়ের মাধ্যমে তিনি আবারও দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন।
ব্রাজিলের ফেডারেল নির্বাচনী আদালত, বিশ্বের বিভিন্ন দেশের নেতারা, আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক এবং বলসোনারোর নিজ দলও লুলার বিজয়কে স্বীকৃতি দিয়েছে।
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) খবর পাওয়া যায়, একদিন আগে অর্থপাচারের অভিযোগের তদন্তের অংশ হিসেবে ব্রাজিলের সুপ্রিম কোর্ট বলসোনারোকে তার পাসপোর্ট জমা দেয়ার নির্দেশ দেন। তবে বলসোনারো কোনো ধরনের অন্যায়ের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
সাবেক ডানপন্থি প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারো প্রথমে নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানান এবং ফল বাতিলের উদ্যোগ নেয়ার কথা বলেন। তবে তার দল সোমবার এক বিবৃতিতে জানায়, তারা নির্বাচনের ফলাফল মেনে নিয়েছে। ওই নির্বাচনে রক্ষণশীল এই প্রার্থী ৪৪ লাখের বেশি ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন।
সূত্র: রয়টার্স
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন