প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মানিকগঞ্জে ১৬ বছর বয়সী অটোরিকশাচালক সাবিকুল ইসলাম হত্যার মামলার রহস্য পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) উন্মোচন করেছে। আবিষ্কৃত ঘটনায় আসাদুজ্জামান (৩৪) নামের একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) পিবিআই মানিকগঞ্জ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানায়। সংস্থাটি জানিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজ, তথ্যপ্রযুক্তি এবং বিভিন্ন তথ্য যাচাই-বাছাই করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে আসাদুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যার মামলার ঘটনার সঙ্গে নিজেদের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছেন।
গ্রেফতার হওয়া আসাদুজ্জামান মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার গড়াই নতুনপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সাভারের হেমায়েতপুর মাদ্রাসা গেট এলাকায় বসবাস করেন এবং একটি আবাসিক হোটেলে সহকারী ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিনি বিবাহিত এবং তিন সন্তানের বাবা।
পিবিআই জানায়, গত ৩০ জুন সাবিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয়ে যান। পরদিন একটি পাটক্ষেত থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। সুরতহাল ও ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারকে হস্তান্তর করা হয়। তদন্তে জানা যায়, ঘটনার দিন সাবিকুলের অটোরিকশায় আসাদুজ্জামান উঠেছিলেন। পথে ভাঙা সড়কের কারণে গাড়ির ঝাঁকুনির পর চালকের সঙ্গে তার মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে হাতাহাতি ঘটে এবং তাঁরা রাস্তার পাশের পাটক্ষেতে গিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
পিবিআইয়ের দাবি, সেখানে আসাদুজ্জামান সাবিকুলকে মারধর করেন এবং তার মুখ কাদায় চেপে ধরে ঘাড়ে চাপ প্রয়োগ করেন। এতে করে সাবিকুলের শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু ঘটে। পরবর্তীতে আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান।
গোপন অনুসন্ধান ও তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে বুধবার (৮ জুলাই) সন্ধ্যায় সাভারের হেমায়েতপুর এলাকা থেকে আসাদুজ্জামানকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন বলে জানা গেছে। এই ঘটনায় মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন