প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
ঢাকা, ২ নভেম্বর, ২০২৬ : দক্ষিণ কোরিয়া ২০২৭ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও সেমিকন্ডাক্টর খাতে বরাদ্দকে দ্বিগুণ করে রেকর্ড ১৬ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার পরিকল্পনা করেছে। প্রেসিডেন্ট লি জে মিয়ং সোমবার পার্লামেন্টে আগামী বছরের বাজেট প্রস্তাব উপস্থাপনকালে এ তথ্য জানান।
খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র।
দক্ষিণ কোরিয়া প্রযুক্তির ক্ষেত্রে একটি শক্তিশালী দেশ হিসেবে পরিচিত। এখানে স্যামসাং ইলেকট্রনিকস ও এসকে হাইনিক্সের মতো প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যারা বিশ্বের শীর্ষ তিনটি মেমোরি চিপ উৎপাদনকারীর মধ্যে অন্যতম। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের ফলে এসব চিপের চাহিদা বিশ্বব্যাপী ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
লি বলেন, ‘সেমিকন্ডাক্টর, ফিজিক্যাল এআই এবং এআই ডেটা সেন্টার—এই তিনটি বৃহৎ প্রকল্পের পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উন্নয়নে আমরা ২১ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ওন (১৬ বিলিয়ন ডলার) বরাদ্দ দেব। এই বরাদ্দ চলতি বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।’
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বাড়াতে আমরা এআই এবং ভবিষ্যতের প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তিগুলোতে বড় ধরনের বিনিয়োগ করব। অর্থনৈতিক শক্তির ভিত্তি হলো প্রবৃদ্ধির এই সক্ষমতা।’
লি জানান, সরকার নিজস্ব এআই মডেলকে বিশ্বের শীর্ষ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে অত্যাধুনিক এআই উন্নয়ন প্রকল্পে ৪ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ওন বিনিয়োগ করবে। তিনি এআই মডেলকে দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত সম্পদ হিসেবে উল্লেখ করেন।
২০২৭ সালের সরকারি ব্যয় পরিকল্পনা তুলে ধরতে দেওয়া ভাষণে তিনি এসব প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
প্রস্তাবিত বাজেটের মোট আকার ৮২১ ট্রিলিয়ন ওন। এটি চলতি বছরের বাজেটের তুলনায় ১২ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে এটি সবচেয়ে বড় বাজেট প্রস্তাব।
তবে, বাজেট কার্যকর করার জন্য পার্লামেন্টের অনুমোদন আবশ্যক। প্রেসিডেন্টের দলের পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় প্রস্তাবটি পাস হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রতিরক্ষা বাজেট প্রসঙ্গে প্রেসিডেন্ট বলেন, আগামী বছর এ খাতে বরাদ্দ ৮ দশমিক ২ শতাংশ বৃদ্ধি করে ৭৩ দশমিক ৩ ট্রিলিয়ন ওন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি জানান, সরকার পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন ও কেএফ-২১ যুদ্ধবিমান সংগ্রহের উদ্যোগ নেবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট ও ড্রোননির্ভর মানুষচালিত এবং স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার সমন্বয়ে সামরিক বাহিনীকে দ্রুত আধুনিক, দক্ষ ও প্রযুক্তিনির্ভর বাহিনীতে রূপান্তর করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন