প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
এইচএসসি ও আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনেই ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলায় এক পরীক্ষাকেন্দ্রে নিয়মিত পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছে অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের প্রশ্নপত্রে। বিষয়টি পরীক্ষা শেষে জানাজানি হলে শিক্ষার্থীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে অভিযোগ দায়ের করেন। পরে কেন্দ্র সচিবসহ ৫ জনকে পরীক্ষার দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার (০২ জুলাই) আলিম পরীক্ষার প্রথম দিনে উপজেলার হদুয়া বৈশাখীয়া দাখিল মাদ্রাসা পরীক্ষাকেন্দ্রে এই অঘটনটি ঘটে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ওই পরীক্ষাকেন্দ্রে ৬৫ জন নিয়মিত পরীক্ষার্থী অনিয়মিত পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দেন। পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্র সচিব, কক্ষ পরিদর্শক কিংবা পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কারও নজরে বিষয়টি আসেনি।
যখন পরীক্ষা শেষে প্রশ্নপত্রগুলো মিলিয়ে দেখা হয়, তখন গরমিলটি ধরা পড়ে। এ ঘটনার জন্য নলছিটি সিনিয়র ফাজিল মাদ্রাসার পরীক্ষার্থীরা বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন। অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে। কেন্দ্র সচিব মোহাম্মদ হোসাইনকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
তার পরিবর্তে একই প্রতিষ্ঠানের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক গাজী ফোরকান আহমদকে কেন্দ্র সচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, কক্ষ পরিদর্শক নূরে শেফা, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. মাহমুদুল হাসান ও শাহ আলম তালুকদারকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়ে পরিদর্শকের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি জানানো হয়েছে।
নলছিটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) রিজভী আহমেদ সবুজ বলেছেন, বিষয়টি ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। শিক্ষা বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করে নিশ্চিত করা হবে যে পরীক্ষার্থীরা যাতে কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হন, সেই বিষয়ে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া, দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন