প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
টানা কয়েকদিনের ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির কারণে দেশের ৭ জেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টির ঘটনা ঘটেছে। এর পাশাপাশি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে নতুন করে বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে আরেকটি ১০ জেলা।
শনিবার (১১ জুলাই) সন্ধ্যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নির্বাহী প্রকৌশলীর দপ্তর থেকে এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় সুরমা, সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, সোমেশ্বরী ও ভুগাই-কংস নদীর অববাহিকার সিলেট, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোণা, শেরপুর এবং ময়মনসিংহ জেলাগুলোসহ উত্তরাঞ্চলীয় তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর অববাহিকার নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চলে কোথাও কোথাও স্বল্পমেয়াদী বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে।
তবে, সাঙ্গু, মাতামুহুরী সহ চট্টগ্রাম, বান্দরবান ও কক্সবাজার জেলার নদীর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পাবে এবং নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোর বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে ধীরগতিতে। একই সঙ্গে মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ জেলার মনু, ধলাই, খোয়াই নদীর পানি সমতলও আগামী ২৪ ঘণ্টায় ধীরগতিতে হ্রাস পেতে পারে, যা নদী-সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোয় বন্যা পরিস্থিতির ধীরগতিতে উন্নতির সম্ভাবনা তৈরি করেছে।
বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বর্তমানে চট্টগ্রাম, বান্দরবান, কক্সবাজার, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট এবং সুনামগঞ্জ জেলাগুলো বন্যাকবলিত হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। এছাড়া ফেনী, খাগড়াছড়ি, সিলেট, নেত্রকোণা, শেরপুর, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম, নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলা বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন