প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
বগুড়ায় ডিবি পুলিশের হেফাজতে আসাদুজ্জামান নামের এক আসামির মৃত্যু ঘটে। রোববার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে ডিবি কার্যালয়ের হাজতখানা সংলগ্ন বাথরুমে এটি ঘটেছে। পুলিশের দাবি, আসাদুজ্জামান বাথরুমে ঢুকে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে পরনের লুঙ্গি পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।
আসাদুজ্জামান বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার জোড়গাছা উত্তরপাড়া গ্রামের মতি মুন্সির পুত্র।
পুলিশ জানিয়েছে, আসাদুজ্জামান ছিলেন সিএনজিচালিত অটোরিকশা ছিনতাই মামলার আসামি, যা চালককে হত্যার পর ঘটে। চলতি বছরের ২৯ জুন ওই হত্যাকাণ্ডটি সংঘটিত হয়। পুলিশ আন্দোলনের মাধ্যমে আসামিদের গ্রেফতারের কার্যক্রম শুরু করে এবং ১৯ দিন পরে আসাদুজ্জামানকে গৃহীত করে। পরে তাকে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে, তার কাছ থেকে নিহত অটোচালকের মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। আজ, রোববার দুপুরে, আদালতে তার জবানবন্দি দেওয়ার কথা ছিল।
পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, আজ রোববার সকালে হাজতখানায় বসে নাস্তা করেন আসাদুজ্জামান। সকাল ১০টার দিকে তিনি হাজতখানা সংলগ্ন বাথরুমে যান। তবে দীর্ঘ সময়ের পরেও বহির্ভাগে বের না হওয়ায় হাজতখানায় অবস্থানকারী অন্য এক আসামি বিষয়টি কর্তব্যরতদের জানান। এরপর দ্রুত বাথরুমের ভিতরে গিয়ে তাকে ভেন্টিলেটরের সঙ্গে লুঙ্গি বাঁধা অবস্থায় ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাকে উদ্ধার করে মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. রাশেদুল ইসলাম রনি জানান, আসাদুজ্জামানকে হাসপাতালে মৃত অবস্থায় আনা হয়েছিল।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হোসাইন মুহাম্মদ রায়হান জানিয়েছেন, হাজতখানার সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, আসাদুজ্জামান আত্মহত্যা করেছেন। তিনি আরও জানান, নিয়ম অনুযায়ী একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের তত্ত্বাবধানে সুরতহাল করা হবে। পরে ময়নাতদন্ত শেষে তার মৃতদেহ পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন