প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এককালীন চিকিৎসা অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই উদ্দেশ্যে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর প্রান্তে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা আগামী ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের একটি বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান নির্দেশিকা, ২০২০’ অনুযায়ী এই অনুদান প্রদান করা হবে। চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।
আবেদন প্রক্রিয়ার জন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে ৩১ অক্টোবর রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। একজন শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় একবারই চিকিৎসা অনুদানের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এছাড়া দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার সময়টি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অর্থবছর অথবা এর আগের এক বছরের মধ্যে হতে হবে।
বিজ্ঞপ্তির নির্দেশনা অনুযায়ী, ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত শিক্ষার্থীদের অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তাবলী পূরণ করতে হবে। মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করতে হলে আগের শ্রেণিতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে। এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৫-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.৫০ এবং স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে জিপিএ-৪-এর ক্ষেত্রে ন্যূনতম ৩.০০ প্রাপ্তির প্রমাণপত্র আপলোড করতে হবে।
সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ‘জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫’ অনুযায়ী ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তানদের আবেদনের সঙ্গে অফিসপ্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবকের বেতন গ্রেডসংক্রান্ত প্রত্যয়নপত্রের কপি দিতে হবে। অন্য শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের কাছ থেকে বাবা-মা বা অভিভাবক দরিদ্র—এ মর্মে প্রত্যয়নপত্র আপলোড করতে হবে। অন্যান্য ক্ষেত্রে বাবা-মা বা অভিভাবকের বার্ষিক আয় দুই লাখ টাকার কম হতে হবে।
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার প্রমাণ হিসেবে জেলা পর্যায়ে সিভিল সার্জন, সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক অথবা উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার দেওয়া ‘গুরুতর আহত’ মর্মে প্রত্যয়নসহ চিকিৎসা সনদের কপি আপলোড করতে হবে।
কার্যক্রমটি সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক হওয়ায় আবেদনের কোনো হার্ডকপি ট্রাস্টে পাঠাতে হবে না। অনলাইনে আবেদনের সময় নির্ধারিত ফরমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা বিভাগীয় প্রধানের প্রত্যয়ন, শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদ, বাবা-মায়ের জাতীয় পরিচয়পত্রের কপি, শিক্ষার্থীর ছবি, স্বাক্ষর এবং অনলাইন ব্যাংক হিসাবের তথ্যসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কাগজপত্রের স্পষ্ট কপি আপলোড করতে হবে।
এসব তথ্য বা কাগজপত্র যথাযথভাবে আপলোড না করলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। আবেদন করার সময় শিক্ষার্থী অথবা বাবা-মায়ের নিজস্ব অনলাইন ব্যাংক হিসাবের পূর্ণাঙ্গ নম্বর ও ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর দিতে হবে। ব্যাংক হিসাবের প্রমাণ হিসেবে চেকের ভেতরের পাতা অথবা ব্যাংক স্টেটমেন্টের তথ্যও অনলাইনে আপলোড করতে হবে।
শিক্ষার্থী বা বাবা-মায়ের ব্যাংক হিসাব ছাড়া অন্য কারও হিসাব নম্বর বিবেচনা করা হবে না। তবে বাবা-মায়ের মৃত্যু বা অন্য কোনো কারণে শিক্ষার্থী সম্পূর্ণভাবে কোনো অভিভাবকের ওপর নির্ভরশীল হলে সেই অভিভাবকের ব্যাংক হিসাব বিবেচনা করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আবেদনকারীর দেওয়া ব্যাংক হিসাবের তথ্য অবশ্যই পূর্ণাঙ্গ ও সচল হতে হবে। অসম্পূর্ণ বা ভুল ব্যাংক হিসাবের কারণে অনুদানের টাকা ব্যাংক থেকে ফেরত এলে তা পুনরায় পাঠানো সম্ভব হবে না।
আবেদনের ওয়েবসাইট:
https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical
বিজ্ঞপ্তি দেখুন এখানে
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন