প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনের কারণে আতঙ্কিত হয়ে দিন কাটাচ্ছেন কেয়াইন ইউনিয়নের বড় বর্তা গ্রামের অন্তত ১৫টি পরিবার। ইতোমধ্যে তীব্র স্রোতের ফলে একটি বসতঘর, যার মধ্যে ছিল আসবাবপত্র, নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে আরও অন্তত ১৫টি বসতবাড়ি।
রোববার(২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে আকস্মিক নদীভাঙনের কারণে গফুর শেখের টিনের ঘরটি, আসবাবপত্রসহ, নদীগর্ভে চলে যায়। পরিবারের সদস্যরা চোখের সামনে বসতঘর হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়েছেন। ঘরের বেশির ভাগ মালামালও তারা সরিয়ে নিতে পারেননি।
গফুর শেখ বলেন, "হঠাৎ করে নদীর পাড় ভাঙতে শুরু করে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই বাড়িটি নদীতে চলে যায়। ঘরের অনেক মালামাল বের করারও সুযোগ হয়নি। বর্তমানে খোলা আকাশের নিচে আছি।"
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, কয়েক দিন ধরে ধলেশ্বরী নদীর তীব্র স্রোতে ওই এলাকায় ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রতিদিন নদীর পাড় ভেঙে বসতবাড়ির দিকে পানি এগিয়ে আসছে। এতে যেকোনো সময় আরও কয়েকটি বাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
ভুক্তভোগী নাদিম হোসেন অনিক জানান, একদিকে নদীর তীব্র স্রোত, অন্যদিকে ওই এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ১৫ থেকে ২০টি বাল্কহেডে বালু লোড-আনলোড করা হচ্ছে। এতে নদীর তীরে চাপ তৈরি হয়ে ভাঙন বাড়ছে। এভাবে চলতে থাকলে দু-এক দিনের মধ্যে তাঁর বাড়িও নদীগর্ভে চলে যেতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
ভাঙনকবলিত পরিবার এবং স্থানীয় বাসিন্দারা দ্রুত নদীর পাড় রক্ষায় কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তাদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে একের পর এক বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে।
এ বিষয়ে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন