প্রধান কার্যালয়ঃ ৩-ডি, কাব্যকস ভবন, কারওয়ান বাজার, ঢাকা-১২১৫
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি- ২০৪৪৭৪/২০২৫
ফোন:- 02224458547-01339-314085
ই-মেইল- crimebd2025@gmail.com
রাজনৈতিক ঐকমত্য তৈরির মাধ্যমে জামায়াত-শিবিরের মত সংগঠনকে নিষিদ্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে কুষ্টিয়া এলাকায় জামায়াত-শিবিরের সংঘর্ষে আহত ছাত্র অধিকার পরিষদের নেতা সোহানুর রহমানকে দেখতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়েছিলেন নুরুল হক। এরপর হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
নুরুল হক বললেন, "বিগত আওয়ামী লীগ সরকার জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করেছিল এবং পরে অন্তর্বর্তী সরকার সেই নিষেধাজ্ঞাকে তুলে নেয়। এই বিষয়টি নিয়ে নির্বাচিত সরকারের এখন গুরুত্ব সহকারে চিন্তা করা উচিত। প্রয়োজনে সকল রাজনৈতিক দলের ঐকমত্যের ভিত্তিতে এই উগ্রবাদী সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন।"
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানে গণহত্যার প্রসঙ্গ টেনে তিনি এ সময় বলেন, ১৯৭১ সালে এর থেকেও ভয়াবহ গণহত্যা, লুটপাট এবং গণধর্ষণ সংঘটিত হয়েছিল। সে ইতিহাস এবং কর্মকাণ্ডের ভিত্তিতে জামায়াত-শিবিরকে নিষিদ্ধ করা প্রয়োজন। অন্যথায় দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে এবং বৈশ্বিকভাবে দেশের ভাবমূর্তি মারাত্মক সংকটে পড়তে পারে।
গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি বলেন, অতীতে মজলুমের ভূমিকায় থাকা জামায়াত-শিবির বিগত কিছু মাসে জালেম সংগঠনে পরিণত হয়েছে। তারা দেশে ফ্যাসিবাদী আচরণের মাধ্যমে রগকাটা, দখলদারত্ব এবং তাণ্ডবের পুরোনো ইতিহাস ফিরিয়ে আনছে। এ ছাড়া ইসলামী ব্যাংকসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও ক্ষমতার ভাগ-বাটোয়ারা দখলের চেষ্টা দাবি করে তিনি জানান, দলটি বর্তমান সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।
ওয়াজ ও জুমার খুতবায় বিতর্কিত বক্তব্যের জন্য মাওলানা আমির হামজার সমালোচনা করে নুরুল হক মন্তব্য করেন, "এই ধরনের বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের সমর্থনে জামায়াতের বিবৃতি তাদের নৈতিক অধঃপতনকে স্পষ্ট করে।" তিনি রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের ব্যবহারের বিরুদ্ধে বক্তব্য রেখে বলেন, জামায়াতের নাম থেকে ‘ইসলাম’ শব্দটি বাদ দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছেন তিনি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন